Somoy News BD

৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী আজ (মঙ্গলবার) ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক একাডেমি চত্ত্বরে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তখন তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মকে যদি সত্যিকার অর্থেই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তৈরি করতে হয় তাহলে শিশুদেরকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই জেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশু একাডেমির পরিসর বিস্তৃত হয়েছে; যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে শিশু একাডেমি শিশুদের বিকাশের জন্য যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পায়নি। তিনি আরও বলেন, শিশুদের অধিকার আদায়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সজাগ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিটি জেলায় এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশুদের বিকাশের জন্য, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের মননশীলতা ও চিন্তার পরিধির ব্যাপ্তিলাভ করানোর জন্য এবং শিশুদের আগামীর নেতৃত্ব প্রদানে পারদর্শী করে গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ আমাদের সঠিকভাবে চলার জন্য উজ্জীবিত করবে এবং আগামীর বৈশাখ অর্থাৎ ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ আরও সুন্দর হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বৈশাখের প্রথম দিনে পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করার মুহূর্তটি আমাদের জীবনে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির বীজ বপনে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। তিনি শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সহধর্মিনী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একাডেমি চত্ত্বরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Related Articles

সড়ক নিরাপত্তায় ব্যয়ের সুফল নিশ্চিত করতে হবে: শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সড়ক নিরাপত্তায় বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও নেওয়া প্রকল্পগুলোর সুফল কতটা পাওয়া যাচ্ছে, তা মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং

আরও পড়ুন

মতিঝিল বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৭৫

মোহাম্মদ আব্দুল গাফফারঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৭৫ জনকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (রবিবার)

আরও পড়ুন

মহাখালী টার্মিনালের অপেক্ষমাণ বাস পূর্বাচল ডিপোতে স্থানান্তরে ডিএমপি ট্রাফিকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী বাস ডিপোতে স্থানান্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman