Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর:ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্স (আইএসপিও)-বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব, ডাঃ সোহানুল নেওয়াজ, ডাঃ আমিন আহম্মেদ, ডাঃ সাদেক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব। তিনি বলেন, এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য “উপকরণ: উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা ও প্রভাব”। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স সেবার গুরুত্ব, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। দিবসের শুরুতে সিআরপি হাসপাতালের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন সেবাগ্রহীতা, প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবী, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পেশাজীবী এবং সিআরপি স্কুল অব প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্সের শিক্ষার্থীরা। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয় এবং বারডেম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে “স্বাস্থ্য খাতে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্সের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারডেম হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাহবুবুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরী অ্যান টেইলর। সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও সহায়ক উপকরণের ব্যবহার শুধু শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, বরং সামাজিক ও পেশাগত জীবনে পুনর্বাসনের একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবীরা দেশের পুনর্বাসন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পরিষেবার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজগম্যতা নিশ্চিত করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ০.৫% (প্রায় ৩৫-৪০ মিলিয়ন মানুষ) প্রস্থেটিক্স, অর্থোটিক্স বা অন্যান্য সহায়ক উপকরণ এবং পুনর্বাসন পরিষেবার প্রয়োজনীয়তায় ভুগছেন। দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, অক্ষমতা এবং অসংক্রামক রোগের হার বৃদ্ধির কারণে এই সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশা দেশের স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা এবং মানবিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman