Somoy News BD

১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর:ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্স (আইএসপিও)-বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব, ডাঃ সোহানুল নেওয়াজ, ডাঃ আমিন আহম্মেদ, ডাঃ সাদেক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব। তিনি বলেন, এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য “উপকরণ: উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা ও প্রভাব”। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স সেবার গুরুত্ব, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। দিবসের শুরুতে সিআরপি হাসপাতালের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন সেবাগ্রহীতা, প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবী, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পেশাজীবী এবং সিআরপি স্কুল অব প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্সের শিক্ষার্থীরা। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয় এবং বারডেম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে “স্বাস্থ্য খাতে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্সের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারডেম হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাহবুবুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরী অ্যান টেইলর। সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও সহায়ক উপকরণের ব্যবহার শুধু শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, বরং সামাজিক ও পেশাগত জীবনে পুনর্বাসনের একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবীরা দেশের পুনর্বাসন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পরিষেবার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজগম্যতা নিশ্চিত করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ০.৫% (প্রায় ৩৫-৪০ মিলিয়ন মানুষ) প্রস্থেটিক্স, অর্থোটিক্স বা অন্যান্য সহায়ক উপকরণ এবং পুনর্বাসন পরিষেবার প্রয়োজনীয়তায় ভুগছেন। দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, অক্ষমতা এবং অসংক্রামক রোগের হার বৃদ্ধির কারণে এই সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশা দেশের স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা এবং মানবিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Related Articles

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। আসন্ন বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ডিএমপির

আরও পড়ুন

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সবচেয়ে বড় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২২৮৪টি। যাতে অধ্যয়ন করছে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা

আরও পড়ুন

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ০৮

আরও পড়ুন

প্রশংসায় ভাসছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সফল পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রুবেল হাওলাদার।পেশাদারিত্ব আর মানব সেবাই যার একমাত্র ব্রত।পেশাগত দায়িত্ব পালন তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman