Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ ৩দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর:
ইসলামী সমাজের আয়োজনে ৩ অক্টোবর ২০২৬ইং, সকাল ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণে দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব এবং তাঁরই আইন-বিধানের আনুগত্য ও তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শর্তহীন আনুগত্যের সাথে কুফর এবং শিরকে লিপ্ত হয়ে আছে। ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগরের দায়িত্বশীল, জনাব মুহাম্মাদ ইয়াসিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে ইসলামী সমাজের আমীর আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৬ইং ৩মাসের জন্য গৃহীত শান্তিপূর্ণ ৩দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইসলামী সমাজ গৃহীত শান্তিপূর্ণ ৩দফা কর্মসূচি হচ্ছে- ১ম দফা: দেশব্যাপী টিম ভিত্তিক গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিলি, পথসভা ও মিছিল করা হবে। ২য় দফা: কুমিল্লা মহানগর এবং আলেখারচর বিশ্বরোড থেকে চট্টগ্রাম বিশ্বরোড ও কুড়িল বিশ্বরোড হয়ে গাজীপুর মহানগর পর্যন্ত, বিভিন্ন এলাকা সমূহে ১০ টি কল্যাণ ও মুক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে- ১ম সমাবেশ- ১০ অক্টোবর, শনিবার- খানবাড়ী বালুর মাঠ, কুশিয়ারা, রায়পুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা। ২য় সমাবেশ- ১৭ অক্টোবর, শনিবার- শিববাড়ী মোড়, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ৩য় সমাবেশ- ২৪ অক্টোবর, শনিবার- টাউনহল ময়দান, কুমিল্লা মহানগর। ৪র্থ সমাবেশ-৩১ অক্টোবর, শনিবার- টঙ্গী কলেজ গেইট, গাজীপুর মহানগর। ৫ম সমাবেশ- ৭ নভেম্বর, শনিবার চান্দিনা, কুমিল্লা। ৬ষ্ঠ সমাবেশ- ১৪ নভেম্বর, শনিবার কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা। ৭ম সমাবেশ- ২১ নভেম্বর, শনিবার- মদনপুর বাসস্ট্যান্ড, নারায়ণগঞ্জ। ৮ম সমাবেশ- ২৮ নভেম্বর, শনিবার- মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্ট, ঢাকা। ৯ম সমাবেশ-৪ ডিসেম্বর, শনিবার-সাইনবোর্ড বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা। ১০ম সমাবেশ- ১১ ডিসেম্বর, শনিবার- কদমতলা সংসদ সংলগ্ন বাসাবো বালুর মাঠ, ঢাকা। ৩য় দফা: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৬ইং, সোমবার- কল্যাণ ও মুক্তির মিছিল। সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তা থেকে শুরু এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হয়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে শাহবাগ মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। ইসলামী সমাজ গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি সরকার, প্রশাসন এবং দেশবাসী সকলের আন্তরীক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman