Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

আলোকচিত্র হচ্ছে সময়ের দলিল: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ছবি কেবল আলো-ছায়ার খেলা নয়, এটি একটি সময়ের দলিল, যা ইতিহাসকে অমর করে রাখে। একটি সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে সেই ঘটনার নির্ভুল ভিজ্যুয়াল রেকর্ডের ওপর।
আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমার কর্মজীবনের একদম শুরুর দিকে প্রবল ইচ্ছা ছিল একজন ফটো জার্নালিস্ট হওয়ার। ক্যামেরার লেন্সে জীবনকে দেখার সেই স্বপ্ন আজও আমাকে তাড়িত করে।
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সয়ায়তায় ন্যাশনাল ফোরাম অব ফটো জার্নালিস্ট, নেপাল (এনএফপিজে)-এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, নব্বইয়ের দশকের দিকে আমি যখন নেপাল ভ্রমণে গিয়েছিলাম, সেই অভিজ্ঞতা ছিল এক কথায় অনন্য। হিমালয়ের কোল ঘেঁষে থাকা দেশটির মানুষের সারল্য আর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য আমাকে মুগ্ধ করেছিল।
তিনি বলেন, দুই দেশের মৈত্রীর বন্ধন শক্তিশালী করতে এই ধরণের আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে।
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহসিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূইয়া, ন্যাশনাল ফোরাম অব ফটো জার্নালিস্ট, নেপালের সভাপতি প্রদীপ রাজ অনন্তা প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য রওনাক হোসেন।
বক্তারা বলেন, নেপাল এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক মিল অনেক। আলোকচিত্রীদের লেন্সের মাধ্যমে এই দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং পেশাদারিত্বের আদান-প্রদান বাড়বে।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ইয়াসের খান চৌধুরী ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে পুরো গ্যালারি ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে নেপালের পাহাড়, উপত্যকা, উৎসব ও সাধারণ মানুষের জীবনের নানা মুহূর্ত উঠে এসেছে।
আয়োজক পক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অংশ হিসেবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman