Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

আল কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে মুক্তি লাভে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা করতে হবে    …………….আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ইসলামী সমাজের আমীর, হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর নির্দেশে মানব জাতির হেদায়েত এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে মানব জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে লোকদেরকে আল কুরআন বিরোধী সংবিধান পরিত্যাগ করে আল কুরআনকে সংবিধান হিসেবে গ্রহণের দাওয়াত দিয়েছিলেন। লোকদের প্রতি তাঁর দাওয়াত ছিল- “ওহে লোক সকল! তোমরা সমাজ ও রাষ্ট্রসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহকেই একমাত্র সার্বভৌমের মালিক, আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ শাসনকর্তা মেনে তাঁর প্রতি ঈমান আনো এবং তাঁকেই একমাত্র দাসত্ব, আনুগত্য ও উপাসনা পাওয়ার অধিকারী সত্তা অর্থাৎ ইলাহ গ্রহণ কর। আমি মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল, তোমরা আমাকে আল্লাহর রাসূল মেনে জীবনের সকল ক্ষেত্রে আমার অনুসরণ ও অনুকরণ (আনুগত্য) কর”। এই দাওয়াত যারা গ্রহণ করেছিলেন, তাঁরাই রাসূল (সাঃ) এর আনুগত্যের অধীনে থেকে দাওয়াতী আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। এভাবে দাওয়াতী কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে ঈমানের সর্বোচ্চ পরীক্ষা দিয়ে যখন আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নেতৃত্বে একদল ঈমানদার সৎকর্মশীল লোক গঠন হলো, তখন মদীনায় অনুকূল পরিবেশ তৈরী করে সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাঃ) কে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের আসনে বসালেন। আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে আসার পর অন্য ধর্মের লোকদের জন্য ধর্ম পালনের সুযোগ রেখেই মহান রব্বের নির্দেশে পর্যায়ক্রমে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজ ও রাষ্ট্রে আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার এটাই আল্লাহর নির্দেশিত ও তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত একমাত্র পদ্ধতি।

০৬ মার্চ ২০২৫ ঈসায়ী; (বৃহস্পতিবার), দুপুর ২ ঘটিকায় ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন কুশিয়ারা খানবাড়ী বালুর মাঠে ‘ইসলামী সমাজ” এর উদ্যোগে- “সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে মুক্তি লাভের এবং আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার উপায়” বিষয়ে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, গণআন্দোলন, সশস্ত্র লড়াই এবং সেনাবাহিনীকে উস্কিয়ে ক্ষমতা দখল এসবের কোনটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ নয়। তিনি আরো বলেন, ইসলামী সমাজ একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টির লক্ষ্যেই সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় আল্লাহর নির্দেশিত ও তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতেই নিজেদের সময় ও অর্থ কুরবানীর মাধ্যমে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটাই কল্যাণ ও মুক্তির পথ। দল মত নির্বিশেষে সকলকে তিনি আল কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে মুক্তি লাভের লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনের আন্তরিক আহবান জানান। ইসলামী সমাজ’ এর কেন্দ্রীয় নেতা, মোঃ আমীর হোসাইন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা, সোলায়মান কবীর, মোঃ নুরুদ্দিন, আজমুল মোঃ সাইফুল ইসলাম মিঠু, ইসমাঈল দাড়িয়া, আবু জাফর মোঃ সালেহ্, সৈয়দ মুহাম্মদ কবীর এবং বিভিন্ন জেলা ও থানা পর্যায়ের দায়িত্বশীলগণ।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman