Somoy News BD

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

উত্তরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
‘সড়ক জ্যাম জটমুক্ত হোক, জীবন হোক নিরাপদ’ প্রতিপাদ্য স্লোগানে উত্তরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত।

বুধবার (২২ অক্টোবর) দেশব্যাপী জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কদম চত্বর (ময়লার মোড়) এলাকায় এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল ও এম আর ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কাজী মেহেদী হাসান, এম আর ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ, উত্তরা পশ্চিম ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুর রহমান, দৈনিক বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার ও কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলের উপদেষ্টা মো. সোহেল রানা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা কেবল সরকারের একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস করতে পারে।

কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল-এর পক্ষ থেকে এ দিবসকে সামনে রেখে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন: লক্ষ্যে গুলো হচ্ছে;

১. সড়ক জ্যাম ও জটমুক্ত রাখা: শহর ও গ্রামীণ উভয় সড়কেই শৃঙ্খলাবদ্ধ চলাচল নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া।

২. চালকের ফিটনেস পরীক্ষা: প্রশিক্ষিত, স্বাস্থ্যবান ও মানসিকভাবে প্রস্তুত চালকরাই যেন যানবাহন পরিচালনা করেন, তা নিশ্চিত করা।

৩. যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি: যাত্রীদের মাঝেও ট্রাফিক আইন ও নিয়ম মানার অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা।

৪. ঘুম চোখে গাড়ি না চালানো: ক্লান্ত বা ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানোর মারাত্মক ঝুঁকি সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করা।

৫. সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বিস্তার: স্কুল, কলেজ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ট্রাফিক সচেতনতা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানানো।

বক্তব্যের শেষে, আয়োজকরা সবাই মিলে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যেখানে সড়ক হবে নিরাপদ, যাত্রা হবে নিশ্চিন্ত এবং প্রতিটি চালক হবেন দায়িত্বশীল নাগরিক।

অনুষ্ঠানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্লোগানকে সামনে আনা হয়:”নিয়ম মেনে চলি, নিরাপদে বাড়ি ফিরি” সচেতন চালক, নিরাপদ সড়ক”

এই আয়োজনের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বার্তা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি বলেছেন স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে

আরও পড়ুন

বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল)

আরও পড়ুন

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড

আরও পড়ুন

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ বুধবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman