Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

উত্তরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
‘সড়ক জ্যাম জটমুক্ত হোক, জীবন হোক নিরাপদ’ প্রতিপাদ্য স্লোগানে উত্তরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত।

বুধবার (২২ অক্টোবর) দেশব্যাপী জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কদম চত্বর (ময়লার মোড়) এলাকায় এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল ও এম আর ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কাজী মেহেদী হাসান, এম আর ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ, উত্তরা পশ্চিম ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুর রহমান, দৈনিক বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার ও কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলের উপদেষ্টা মো. সোহেল রানা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা কেবল সরকারের একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস করতে পারে।

কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল-এর পক্ষ থেকে এ দিবসকে সামনে রেখে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন: লক্ষ্যে গুলো হচ্ছে;

১. সড়ক জ্যাম ও জটমুক্ত রাখা: শহর ও গ্রামীণ উভয় সড়কেই শৃঙ্খলাবদ্ধ চলাচল নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া।

২. চালকের ফিটনেস পরীক্ষা: প্রশিক্ষিত, স্বাস্থ্যবান ও মানসিকভাবে প্রস্তুত চালকরাই যেন যানবাহন পরিচালনা করেন, তা নিশ্চিত করা।

৩. যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি: যাত্রীদের মাঝেও ট্রাফিক আইন ও নিয়ম মানার অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা।

৪. ঘুম চোখে গাড়ি না চালানো: ক্লান্ত বা ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানোর মারাত্মক ঝুঁকি সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করা।

৫. সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বিস্তার: স্কুল, কলেজ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ট্রাফিক সচেতনতা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানানো।

বক্তব্যের শেষে, আয়োজকরা সবাই মিলে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যেখানে সড়ক হবে নিরাপদ, যাত্রা হবে নিশ্চিন্ত এবং প্রতিটি চালক হবেন দায়িত্বশীল নাগরিক।

অনুষ্ঠানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্লোগানকে সামনে আনা হয়:”নিয়ম মেনে চলি, নিরাপদে বাড়ি ফিরি” সচেতন চালক, নিরাপদ সড়ক”

এই আয়োজনের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বার্তা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman