Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

কমনওয়েলথ চার্টার কর্মশালার উদ্বোধন করলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ (সোমবার) ঢাকাস্থ লেক সোর হাইটস হোটেলের সম্মেলনকক্ষে কমনওয়েলথ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কমনওয়েলথ সনদ বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। উক্ত কর্মশালায় ঢাকা এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো বিভিন্ন যুব সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব থেকে প্রায় ১০০ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, কমনওয়েলথ সনদ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতি সম্মিলিত বিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। এটি ৫৬টি দেশের ২.৫ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের জন্য একটি নৈতিক দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। ২০১৩ সালে গৃহীত হওয়ার পর থেকে, সনদটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে শান্তি ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজকে এগিয়ে নিতে অনুসরণ করছে।

উপদেষ্টা বলেন, গত ১৬ বছরে কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা নির্মমভাবে দমন করা হয়েছিল, ভোটাধিকার ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করা হয়েছিল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং বড় আকারের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার দেশের সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিঃশেষ করে দিয়েছিল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে এগারোটি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং নাগরিক সমাজ, বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে ব্যপকভাবে পরামর্শের ভিত্তিতে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই, ১২১টি প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের পরিধি এবং সময়সীমা নির্ধারণের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। একই সাথে, কমিশন ‘জুলাই সনদ’-এর চূড়ান্তকরণের জন্যও নিরলসভাবে কাজ করছে – যা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সমুন্নত রাখবে, যা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে পরিচালিত করবে। এই উদ্যোগগুলি জুলাইয়ের বিদ্রোহের চেতনার প্রতি আমাদের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে গণতন্ত্র আর কখনোই সংকুচিত হবে না, যেখানে সকল মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও মর্যাদা সুরক্ষিত থাকবে। উপদেষ্টা প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কমনওয়েলথ সনদে অন্তর্নিহিত মূল্যবোধ – যেমন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন এবং আইনের শাসন সম্পর্কে জানার মাধ্যমে আমাদের যুবসমাজ চলমান জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় অর্থপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, কমনওয়েলথ এর অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল প্রফেসর লুইস ফ্রানসিস সহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman