Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

কানাডায় পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎঃ চক্রের এক নারী সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কানাডার এক কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় চক্রের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের প্রকৃত পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডির একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত নারীর নাম নার্গিস বেওয়া @ সালমা আক্তার (২৬), পিতা- মৃত ছকমল হোসেন, মাতা- ওমেজা বেগম, স্থায়ী সাং-নয়ানখাল উত্তরপাড়া থানা-কিশোরগঞ্জ, জেলা-নীলফামারী। গত ২৭/০৯/২০২৬ খ্রি. (২৬/০৯/২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত) রাত ২টা ১৫ মিনিটে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানাধীন নয়ানখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নার্গিস বেওয়া @ সালমা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃতর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী বাদীকে কানাডার একটি কোম্পানিতে চাকরির জন্য পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে মোট ৩০ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি করেন অভিযুক্ত নারী। পরবর্তীতে ২৮/০৫/২০২৫ খ্রি. থেকে ২৪/০৭/২০২৫ খ্রি. পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৯০ টাকা এবং নগদ ও রকেটের মাধ্যমে আরও ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১০ টাকা; সর্বমোট ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা গ্রহণের পর অভিযুক্তরা কানাডায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে বাদীর কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে ওই কাগজপত্র নিয়ে কানাডা অ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করা হলে যাচাই-বাছাইয়ের পর সেগুলো ভুয়া বলে বাদীকে জানানো হয়। প্রতারণার ঘটনা বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী বাদী কাফরুল থানার মামলা নং-০৩, তারিখ- ০৭/১১/২০২৫ খ্রি., ধারা ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৫০৬ পেনাল কোড রুজু করেন।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত নারীসহ চক্রের অপরাপর সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো আসল হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি তার প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন। মামলার তথ্য বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা নিজের অপরাধ কর্মের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডি। মামলার সঙ্গে এজাহারনামীয়দের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযুক্তদের ভূমিকা, আত্মসাৎকৃত অর্থের সম্পূর্ণ পরিমাণ, অর্থের গতিপথ এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman