Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

চাঁদপুরের হাইমচরে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গতকাল ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে যাত্রীবাহী লঞ্চ এডভেঞ্চার-৯ ঢাকা থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অপরদিকে ঘোষের হাট থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি জাকির সম্রাট-৩ চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানাধীন মেঘনা নদী এলাকায় পৌঁছালে গভীর কুয়াশার কারণে রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উভয় লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

দুর্ঘটনায় এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ক্ষতিগ্রস্হ হয়। এ ঘটনায় লঞ্চটির ৪ (চার) জন যাত্রী নিহত এবং বেশ কয়েক জন যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন আজ সকালে রাজধানীর সদরঘাটে দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চ এমভি জাকির সম্রাট-৩ পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। তিনি গত রাতে সংঘটিত লঞ্চ দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন। তিনি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ১,৫০,০০০ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসায় ৫০,০০০ টাকা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান। এছাড়াও লঞ্চ দুটির মালিক পক্ষকে ডাকার নির্দেশ দেন। দায়ী মালিক পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে বলে জানান।

উপদেষ্টা বলেন, সংঘটিত লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইতোমধ্যে ৮ (আট) সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উক্ত লঞ্চ দুর্ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, লঞ্চ এডভেঞ্চার-৯ এর ৫ জন স্টাফকে ইতিমধ্যে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপদেষ্টা ঘন কুয়াশার মধ্যে লঞ্চ না চালানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রত্যেক লঞ্চের ফগ লাইট ও সাইড লাইট নিশ্চিত করতে হবে। নৌপরিবহন উপদেষ্টা প্রত্যেক লঞ্চের ফিটনেস ও লাইসেন্স তদারকির জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman