Somoy News BD

১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

চাঁদপুরের হাইমচরে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গতকাল ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে যাত্রীবাহী লঞ্চ এডভেঞ্চার-৯ ঢাকা থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অপরদিকে ঘোষের হাট থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি জাকির সম্রাট-৩ চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানাধীন মেঘনা নদী এলাকায় পৌঁছালে গভীর কুয়াশার কারণে রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উভয় লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

দুর্ঘটনায় এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ক্ষতিগ্রস্হ হয়। এ ঘটনায় লঞ্চটির ৪ (চার) জন যাত্রী নিহত এবং বেশ কয়েক জন যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন আজ সকালে রাজধানীর সদরঘাটে দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চ এমভি জাকির সম্রাট-৩ পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। তিনি গত রাতে সংঘটিত লঞ্চ দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন। তিনি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ১,৫০,০০০ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসায় ৫০,০০০ টাকা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান। এছাড়াও লঞ্চ দুটির মালিক পক্ষকে ডাকার নির্দেশ দেন। দায়ী মালিক পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে বলে জানান।

উপদেষ্টা বলেন, সংঘটিত লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইতোমধ্যে ৮ (আট) সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উক্ত লঞ্চ দুর্ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, লঞ্চ এডভেঞ্চার-৯ এর ৫ জন স্টাফকে ইতিমধ্যে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপদেষ্টা ঘন কুয়াশার মধ্যে লঞ্চ না চালানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রত্যেক লঞ্চের ফগ লাইট ও সাইড লাইট নিশ্চিত করতে হবে। নৌপরিবহন উপদেষ্টা প্রত্যেক লঞ্চের ফিটনেস ও লাইসেন্স তদারকির জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

Related Articles

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও

আরও পড়ুন

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। আসন্ন বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ডিএমপির

আরও পড়ুন

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সবচেয়ে বড় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২২৮৪টি। যাতে অধ্যয়ন করছে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা

আরও পড়ুন

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ০৮

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman