Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

জলবায়ু ও জ্বালানি রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা জরুরি। — পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জ্বালানি রূপান্তরে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও শক্তিশালী সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত “টিম ইউরোপ ইনিশিয়েটিভ – ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি” উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অভিযোজন আমাদের জীবনের অংশ হলেও এখন এর প্রভাবের তীব্রতা ও ঘনত্ব আমাদের মানুষের সীমা অতিক্রম করেছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশকে ‘সহনশীল সমাজ’ হিসেবে উপস্থাপন করা মানবাধিকারের প্রতি অবিচার।

পরিবেশ উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, অভিযোজনই যথেষ্ট নয় যদি বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস লক্ষ্য পূরণ না হলে কেবল অভিযোজন দিয়ে বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারবে না।

বাংলাদেশের ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্জনের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকারি দপ্তরে বাধ্যতামূলক সৌর প্যানেল, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ এবং বায়ু বিদ্যুতের সম্ভাবনা অনুসন্ধানসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জ্বালানি রূপান্তরের জন্য দৃষ্টিভঙ্গি, প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন। আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি, তবে ইউরোপের প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সাশ্রয়ী অর্থায়নের সহায়তা জরুরি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পানি নিরাপত্তা সংকটের কথাও তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস ও পৃষ্ঠস্থ পানির ওপর বাড়তি চাপ। তিনি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, জলাভূমি পুনরুদ্ধার ও প্রাকৃতিক সমাধানে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ইউরোপ সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকেছে। আমরা বিশ্বাস করি টিম ইউরোপ ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে এই সহযাত্রা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লট্‌জ, ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক ও জলবায়ু অর্থায়ন পরিচালক ডায়ানা আক্কোনচিয়া বক্তব্য রাখেন। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল, ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও তরুণ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা ও অতিথিবৃন্দ যৌথভাবে “টিম ইউরোপ ইনিশিয়েটিভ – ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি” উদ্বোধন করেন।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman