Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাইয়ের চেতনায় দেশ গড়তে লাখো কন্ঠে শপথ পড়ালেন উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ”

মোঃআশরাফুল আলমঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ আজ ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজগঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেছেন, জুলাইয়ের চেতনায় দেশ গড়তে হবে।
তিনি আজ ঢাকায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাইয়ের চেতনায় দেশ গড়তে ঢাকাসহ ৬৪ জেলা- উপজেলায় ভার্চুয়ালি লাখো কন্ঠে শপথ বাক্য পাঠ করান।
উপদেষ্টা বলেন, আজ আমরা এখানে শুধু একটি সেবা মেলা বা সমাবেশ করতে আসেনি। আমরা এসেছি এক নতুন সামাজিক চুক্তি সম্পাদন করতে। আমরা এসেছি একটি নতুন দিনের অঙ্গীকার করতে। জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আপনারা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, মানবিক ও মর্যাদার বাংলাদেশের স্বপ্ন। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আমাদের সম্মিলিত অভিযাত্রার দিন।
তিনি বলেন, জুলাই পুনর্জাগরণ শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, এটি হলো রাষ্ট্রের চরিত্রে
মানবিকতার পুনর্জাগরণ। আজ থেকে রাষ্ট্র আর দূর থেকে দেখা কোন অচেনা প্রতিষ্ঠান নয়। আজ থেকে রাষ্ট্র হবে আপনার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ।
উপদেষ্টা বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমাদের সকলকে সাক্ষী রেখে আমি আমার দুই মন্ত্রণালয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সকল সেবা সরকারের পক্ষ থেকে দুর্বল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাঠামো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সকল ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে আপনার প্রাপ্য ভাতা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করছি, এই বাংলায় নারী ও শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক, মানসিক, যৌন বা অর্থনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের নীতি হবে জিরো টলারেন্স। একজন নারী বা একটি শিশুর চোখের জল এই রাষ্ট্র আর সহ্য করবে না। আমাদের জাতীয় নারী সুরক্ষা হেল্পলাইন ১০৯ এবং শিশু সুরক্ষা চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ এখন থেকে শুধু দুটি নম্বর নয়, এগুলো হবে প্রতিটি নারী ও শিশুর সাহসের কণ্ঠস্বর, তাদের সুরক্ষার বর্ম। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি নারী ও শিশু নির্ভয় বেড়ে উঠবে, প্রতিটি নারী সম্মানের সাথে বাঁচবে। অন্যায়, দুর্নীতি, বৈষম্য, নারী- শিশু নির্যাতন আর দারিদ্র্যের অপমান থেকে মুক্ত করবো আমাদের এই মাতৃভূমিকে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে জুলাই কন্যা, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার প্রতিনিধিবর্গ, শিক্ষক, ইমাম, তরুণ সমাজ, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন ।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman