Somoy News BD

১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাই অভ্যুত্থানের সাহসী নারীদের আমরা ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে দেবো না। যতবার এদেশে অন্যায় হবে, অবিচার হবে ততবার জুলাইয়ের জন্ম হবে, জুলাই কন্যরা প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সাহসী নারীদের আমরা ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে দেবো না। যতবার এদেশে অন্যায় হবে, অবিচার হবে ততবার জুলাইয়ের জন্ম হবে, জুলাই কন্যরা প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবে।
তিনি আজ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে জুলাই কন্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জুলাই কন্যাদের নিয়ে রিক্সা রেলি ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সমাবেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার, জুলাই কন্যা উমামা ফাতেমা, জুলাই শহীদ নাইমা সুলতানার মা, শহীদ নাফিসার বাবা জুলাই আন্দোলনে সহযোদ্ধা ও শহীদদের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ মহিউদ্দিন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই কন্যরা ,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, জুলাই রিকশাচালক যোদ্ধারা, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই কন্যরা তোমরা আমাদের অনুপ্রেরণা। এ জুলাইয়ে তোমরা তোমাদের এক একটা উজ্জ্বল শক্তিময় রুপে নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছো।
তিনি বলেন, জুলাই মানে অত্যাচারীর অবসান, জুলাই মানে অন্যায়ের অবসান, জুলাই মানে কন্যাদের, মেয়েদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সময়। জুলাই মানে আমি ভয় পাবো না, জুলাই মানে আমি প্রতিবার ধেয়ে ধেয়ে আসবো, যতোবার অন্যায় হবে যতোবার অবিচার হবে, ততোবার জুলাইয়ের জন্ম হবে এবং জুলাইয়ের কন্যারা বারবার ফিরে আসবে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমার মন্ত্রণালয় তোমাদের সহযোগিতা করবে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ জুলাই কন্যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এ শপথ বাক্যে দারিদ্র্যমুক্ত সহিংসতা মুক্ত মানবিক ও সাম্যের দেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দূর করে শহরে, গ্রামে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা, ঘরে, রাস্তায়, বিদ্যাপীঠে, কর্মক্ষেত্রে এবং সাইবার স্পেজে গড়ে তুলবো নারী ও শিশুর নিরাপদ বিচরণ। সংখ্যাগুরু, সংখ্যালঘু নই, আদিবাসী- অনা দিবাসী নই, নারী-পুরুষ নই, আমরা নাগরিক। সমাজের তরুণ সকলকে হাতে হাত ধরে যত্নশীল রাষ্ট্র গড়বো। সম্প্রীতির নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করবো। অন্যায়, দুর্নীতি, বৈষম্য, নারী নির্যাতন আর দারিদ্র্যের অপমান থেকে মুক্ত করবো আমাদের এ মাতৃভূমিকে।

Related Articles

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার”: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি

আরও পড়ুন

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, বাড়বে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (IPPA)’ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড

আরও পড়ুন

মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য

আরও পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman