Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “জুলাইয়ের আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে সবাইকে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।”

উপদেষ্টা আজ সকালে সাভারে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে “জুলাই অভ্যুত্থান পুনর্জাগরণ: স্মৃতিচারণ ও আলোচনা অনুষ্ঠান-২০২৫” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, জুলাই যোদ্ধারা কখনোই ব্যক্তিগত স্বার্থের ইস্যুতে আন্দোলনে নামেননি। তারা দেশকে ভালোবেসেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।তাদের চিন্তা-চেতনা ছিল উচ্চস্তরের। তিনি বলেন, জুলাই মাস এমনিতেই আমাদের জন্য এক বেদনাবিধুর সময়। তারই মাঝে মাইলস্টোন স্কুলে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমাদের শোককে আরও গভীর করেছে।

উপদেষ্টা বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় তিনি নিজেও বিভিন্ন স্থানে ঘুরে আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং কোথাও কোথাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন,আন্দোলনের সময় বিশেষভাবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে সাহসিকতা ও সংগঠিতভাবে অংশ নিয়েছিল, তা প্রমাণ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মত নেতৃত্ব এখনো তাদের মাঝে প্রেরণা হিসেবে বিদ্যমান।

তিনি আরো বলেন, “আমি অর্ন্তবর্তী সরকারের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি বটে, কিন্তু এখনো এই রাষ্ট্রযন্ত্রে ফ্যাসিবাদী কাঠামো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। তাই সরকারকেও সচেতনভাবে কাজ করতে হচ্ছে। এই লড়াই শুধু সরকারের নয়, আমাদের সবার।”

নারীদের ভূমিকার কথা স্মরণ করে উপদেষ্টা বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নারীরা সম্মুখসারিতে থাকলেও আগস্টের পর থেকে নারীদের দৃশ্যমান উপস্থিতি অনেকখানিই হ্রাস পেয়েছে। এই বাস্তবতা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। মনে রাখতে হবে, আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ এবং আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির নানা কৌশল সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। অর্থনৈতিক নিপীড়নের কৌশলও তারা ব্যবহার করে থাকে। এসব বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতা জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক নীলুফার সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য ড. মো: আবুল হোসেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের সম্মানে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman