Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহস ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহস ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে। এজন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রবিবার (৩রা আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকায় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে তথ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্র-জনতা ত্যাগস্বীকার করেছেন। শহিদদের আত্মত্যাগ ও আহতদের কষ্ট-যন্ত্রণা আমাদের অনুভব করতে হবে। কীভাবে আহতদের চিকিৎসা হবে, কীভাবে শহিদদের পরিবার ও আহতরা পুনর্বাসিত হবেন— এসব বিষয় আমাদের ভাবতে হবে। শহিদদের পরিবার ও আহতদের কাছে আমাদের জবাবদিহি করার সময় এসেছে।

বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওই সময় দেশে কথিত গণতন্ত্র ছিল, কিন্তু আমরা বাক্‌স্বাধীনতা হারিয়েছিলাম। তরুণ সমাজ তাদের ন্যায্য কথা বলতে পারেনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপেশাদার ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। দেশের জন্য আমাদের সন্তানদের আর যেন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে।

মাহবুবা ফারজানা বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, প্রশাসনের জবাবদিহি আচরণ এবং ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। তিনি আশাপ্রকাশ করে বলেন, আমরা যদি কর্মক্ষেত্রে সততা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারি, তাহলে দীর্ঘদিনের গড়ে ওঠা জঞ্জাল দূর করা সম্ভব। তিনি ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি সুন্দর দেশ গড়তে সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসির সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম। আলোচনাসভার পূর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির এই অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman