Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমতের ভিত্তিতেই জুলাই সনদ গৃহীত হয়েছে। ফলে নির্বাচনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এ সনদ বাস্তবায়নের দায় এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

উপদেষ্টা আজ দুপুরে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের শিশু পার্ক প্রাঙ্গণে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এবার ভোট শুধু প্রার্থী নির্বাচনের জন্য নয়; বরং একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে অংশগ্রহণের সুযোগ। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসতে না পারে, সে জন্য গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, জুলাইয়ের অভ্যুত্থান ও তরুণদের যে আকাঙ্ক্ষা, তার বিপরীতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। জুলাই সনদের বিরুদ্ধে কিছু করা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই সরকার গঠিত হয়েছে এবং সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনই গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।

সুধীজনদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির দায়িত্ব আপনাদের সবার। সাধারণ জনগণকে সহজ ভাষায় গণভোটের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বোঝাতে হবে। এ সময় তিনি তরুণদের আরও বেশি করে সভা-সমাবেশ আয়োজনের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশের মোট ভোটারের একটি বড় অংশ নারী। তাদের ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে, যাতে কেউ ক্ষমতায় এসে অতীতের মতো ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো: মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক মো.: আলম হোসেন এবং জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা।

এ সময় ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman