নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরেবাংলা নগর) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক সোহেল রানা বলেছেন, এই ঐতিহ্যবাহী জনপদ আজ ভয় ও আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়েছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকের অভিশাপ থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে এবং ব্যবসার রাজনীতির বদলে সেবার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতেই তিনি ‘কলস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-১৩ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং নিজের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন। জনগণের সেবক হতে চাই, মালিক নয়।
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল রানা বলেন, “আমি প্রচলিত রাজনৈতিক বলয় ও পেশিশক্তির বাইরে থেকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। গত এক দশক ধরে আমি পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি অনুধাবন করেছি, সমাজের মূল সমস্যাগুলো সমাধান করতে হলে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অর্থাৎ জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”
ঢাকা-১৩ আসনের সংকট ও অঙ্গীকার
এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এক সময় রাজা-বাদশাদের এলাকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এখানে নাগরিক নিরাপত্তা চরম সংকটে। জলাবদ্ধতা, তীব্র যানজট ও অপশাসনের ভারে এই আসনটি জর্জারিত। আমি নির্বাচিত হলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেব।”
ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সোহেল রানা বলেন, “কলস শুধু একটি প্রতীক নয়; এটি মানবিক রাজনীতির প্রতীক। আমি আপনাদের কাছে ভোট চাই ক্ষমতার জন্য নয়, বরং ঢাকা-১৩ আসনকে একটি নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করার জন্য। আমি এই এলাকার সন্তান হিসেবে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”
সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সোহেল রানা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভোটাররা যদি নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, তবে ঢাকা-১৩ আসনে পরিবর্তনের সূচনা হবে













