Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

ঢাকা-১৩ আসনে ভয়ের রাজত্ব শেষ করে সেবার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাই’—কলস প্রতীকের সোহেল রানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
​​ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরেবাংলা নগর) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক সোহেল রানা বলেছেন, এই ঐতিহ্যবাহী জনপদ আজ ভয় ও আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়েছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকের অভিশাপ থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে এবং ব্যবসার রাজনীতির বদলে সেবার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতেই তিনি ‘কলস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন।

​বুধবার (২১ জানুয়ারি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-১৩ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং নিজের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন। ​জনগণের সেবক হতে চাই, মালিক নয়।
​সংবাদ সম্মেলনে সোহেল রানা বলেন, “আমি প্রচলিত রাজনৈতিক বলয় ও পেশিশক্তির বাইরে থেকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। গত এক দশক ধরে আমি পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি অনুধাবন করেছি, সমাজের মূল সমস্যাগুলো সমাধান করতে হলে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অর্থাৎ জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”
​ঢাকা-১৩ আসনের সংকট ও অঙ্গীকার
​এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এক সময় রাজা-বাদশাদের এলাকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এখানে নাগরিক নিরাপত্তা চরম সংকটে। জলাবদ্ধতা, তীব্র যানজট ও অপশাসনের ভারে এই আসনটি জর্জারিত। আমি নির্বাচিত হলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেব।”
​ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সোহেল রানা বলেন, “কলস শুধু একটি প্রতীক নয়; এটি মানবিক রাজনীতির প্রতীক। আমি আপনাদের কাছে ভোট চাই ক্ষমতার জন্য নয়, বরং ঢাকা-১৩ আসনকে একটি নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করার জন্য। আমি এই এলাকার সন্তান হিসেবে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”

​সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সোহেল রানা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভোটাররা যদি নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, তবে ঢাকা-১৩ আসনে পরিবর্তনের সূচনা হবে

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman