Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

নব আলো সাহিত্য সংহতির ঢাকা বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়ে গেল।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিকেল ৪টায় ঢাকার কাটাবনে গ্লোরিয়াস চাইনিজ রেস্টুরেন্টে নব আলো সাহিত্য সংহতির ঢাকা বিভাগীয় কমিটির এক আড়ম্বর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নব আলো সাহিত্য সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সভাপতি, কবি ও কথাসাহিত্যিক সাজেদা হেলেন।

<অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন নব আলো সাহিত্য সংহতির সাধারণ সম্পাদক কবি হুমায়ুন কবির সিকদার এবং নির্বাহী সভাপতি কবি ইউসুফ আলী। তাঁদের দক্ষ সঞ্চালন পুরো অনুষ্ঠানকে আরও সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নব আলো সাহিত্য সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টা, অধ্যাপক ও সংগীতশিল্পী সন্দীপক মন্ডলের কথা ও সুরে নব আলো টাইটেল সং পরিবেশন করেন সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। এই পরিবেশনা পুরো আয়োজনকে একটি উৎসবমুখর আবহ প্রদান করে।

সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের পর নব আলো সাহিত্য সংহতির ঢাকা বিভাগীয় কমিটির কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। উপস্থিত অতিথি এবং সদস্যদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে বরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেন বিশেষ উপদেষ্টাগণ—
কবি মঈন মোরসালিন, কর্ণধার, প্রতিভা প্রকাশনী
মাহমুদ সাখাওত সংগঠক ও সাহিত্য অনুরাগী
কবি ও আবৃত্তি শিল্পী জহিরুল হক বিদ্যুৎ
কবি সাজেদা ডুলু
কবি নাসরিন আক্তার
কবি লায়ন সিদ্দিকুর রহমান কবি শামসুল নাহার নিরু

ঢাকা বিভাগীয় কমিটির নেতৃত্ব:
সভাপতি: কবি রাহিমা আক্তার রিমা
সিনিয়র সহ-সভাপতি: ফিরোজ আহমেদ বাবলু
সহ-সভাপতি :কবি ইমরোজ অয়ন সহ-সভাপতি কবি আজহার খান
সহ-সভাপতি কবি মজিবুর রহমান বকুল
সহ-সভাপতি কবি শফিউল্লাহ
সহ-সভাপতি কবি মুফতি আল মাহমুদ খান

সাধারণ সম্পাদক: লিমা খান
সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক রেহানা পারভীন
যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান সবুজ
সাংগঠনিক সম্পাদক কবি ওমর ফারুক
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক : তানিয়া চৌধুরী
দপ্তর সম্পাদক:শাহ্জাদী আনারকলি শিমু
সাহিত্য বিষয়ক: সম্পাদক
প্রকাশনী সম্পাদক নাফে নজরুল
সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইউসুফ খান
প্রচার সম্পাদক পারভিন ইয়াসমিন লেখক ও শিল্পী সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরোজ সোহেল  সংগীতশিল্পী
কোষাধ্যক্ষ, আশাবুদ্দিন কবি ও লেখক ও সম্মানিত
কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সাধারণ সদস্যবৃন্দ পদে শপথ নেন।আব্দুল্লাহ কায়েস, মোর্শেদ চৌধুরী খোকন, আইভী ভূইয়া, সাম্মি চৌধুরী, সাবিনা ইয়াসমিন তাথই, বাবা সাকিব

অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ আবৃতি ও সংগীত পরিবেশনা এবং  ডিনারের মধ্য দিয়ে অভিষেকের সমাপ্তি ঘটে।বক্তাদের বক্তব্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সদস্যবৃন্দের প্রতি শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়ে নব আলোর এই পথ যাত্রা আরো আলোকিত হয়ে উঠুক এই আশা ব্যক্ত করেন।
<span;>নব আলো সাহিত্য সংহতির এই আয়োজন সবার হৃদয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি নতুন আলো জ্বালিয়েছে এবং এক অসাধারণ উদ্দীপনার জন্ম দিয়েছে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman