Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত ১২-১৩ জুলাই দু’দিনব্যাপী নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যোগদান করে। ইসলামাবাদের জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুল হক। এছাড়া পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান সম্মেলনে যোগদান করেন। সম্মেলনে ওআইসি সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন।
সম্মেলনের সাইড লাইনে গতকাল বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন ইরানের নারী ও ফ্যামিলি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট Zahra Behrouz Azar এর সাথে বৈঠক করেন। বৈঠককালে অন্যান্যের মধ্যে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান এবং ইরানের ডেপুটি হেড অব মিশন Nabi Ollah Shirazi উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনে ইসলামিক উম্মাহ’র পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। নারীদের উন্নয়নে সাম্প্রতিক চালুকৃত ফ্যামিলিকার্ডের বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু এবং সামাজিক উন্নয়নে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার জানাযায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে ইরানের নারীদের অগ্রগতির বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি নারীর উন্নয়নে মুসলিম উম্মাহ’র একসাথে কাজ করার অভিপ্র্রায় ব্যক্ত করেন এবং মন্ত্রীকে ইরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman