Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

নারী-শিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে নাগরিকতা প্রকল্প একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ— উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারী ও শিশুরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও বাস্তবতায় তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকে—এ মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
তিনি বলেন, ১৬ কোটির বেশি মানুষের দেশ বাংলাদেশ সাম্প্রতিক দশকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও শাসনব্যবস্থা, মানবাধিকার এবং জেন্ডার সমতার ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এসব চ্যালেঞ্জ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে এসডিজি-৫ (জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন) এবং এসডিজি-১৬ (ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন) বাস্তবায়নে আরও মনোযোগ ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আজ রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিকতা এক্সপেনশন সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন,
“নাগরিকতা শুধু একটি আইনি পরিচয় নয়—এটি মর্যাদা, অধিকার এবং সম্ভাবনার প্রতীক। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে নাগরিকতার স্বীকৃতি তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির পথ সুগম করে।”

তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এজন্য নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট সব উদ্যোগে নারী ও শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, “কোনো নারী বা শিশু যেন পরিচয়হীনতার কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা সামাজিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়—এটাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেওয়া, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো এবং জনসচেতনতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।” নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত হলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও কমিউনিটির সমন্বিত প্রচেষ্টায় নাগরিকতা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই প্রেক্ষাপটে ‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (CEF)’ একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নাগরিক সমাজকে সক্রিয় করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি। এছাড়া বক্তব্য দেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক ড. কে এম মামুন উজ্জামান।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman