Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

ন্যায্য রূপান্তরের জন্য শ্রমিকের মর্যাদা ও শ্রমিক-কেন্দ্রিক নীতি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। — পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

মোঃআশরাফুল আলম:
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শ্রমিকদের মর্যাদা ও শ্রমিক-কেন্দ্রিক নীতি প্রতিষ্ঠা ছাড়া ন্যায্য রূপান্তর সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক মডেলগুলো শ্রমিকদের মর্যাদা অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এখনই শ্রমিক-কেন্দ্রিক নীতি ও রক্ষাকবচ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের সময়মতো মজুরি প্রদান, ন্যায্য ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত ‘From Dialogue to Action: Towards a National Alliance for Just Transition (NAJT)’ শীর্ষক Just Transition Convention Bangladesh 2025–এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান শিপব্রেকিং শিল্প, পাথরভাঙা ও আউটসোর্সিং শ্রমিকদের ঝুঁকি, কৃষকদের ঋণজনিত সংকট ও আত্মহত্যার প্রবণতা, মৎস্যজীবী ও কৃষক সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়কে চিহ্নিত করে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সমাধান এবং ত্রিপাক্ষিক সংলাপ জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ন্যায্য, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন— এএইচএম শফিকুজ্জামান, সাবেক সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজ; আনোয়ার হোসেন, উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজ; একেএম আশরাফ উদ্দিন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ); বাইবা জারিনা, ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ মিশন; রুবেন কোরেভার, পলিসি অ্যাডভাইজার, মনডিয়াল ফিনভ; এবং আবদুল কাদের হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

বক্তারা ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সরকারের মধ্যে সমন্বিত ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ট্রেড ইউনিয়নগুলো নন-পার্টিজান অবস্থানে থেকেও শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায্য রূপান্তরের জন্য একটি রোডম্যাপ ও জাতীয় মঞ্চ গঠনে একমত হন, যেখানে নীতিগত সুপারিশ, ইনস্টিটিউশনাল সেফগার্ড এবং বাস্তবভিত্তিক রোল-আউট পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman