Somoy News BD

২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

পলিটিক্যাল কালচার নষ্ট হয়ে গেছে, এটা পুনরুদ্ধার করতে হবে- ধর্ম উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আমরা শাসন করতে আসিনি। আগামীদিনে যারা দেশ চালাবেন তাদের পথ মসৃন করতে এসেছি।আমাদের পলিটিক্যাল কালচার নষ্ট হয়ে গেছে, এটা পুনরুদ্ধার করতে হবে।

আজ কক্সবাজারে বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী(রহ.) এর ইছালে ছওয়াব উপলক্ষ্যে আয়োজিত  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের সংস্কৃতি বহুদিন যাবৎ এদেশের মানুষ ভুলে গেছে। ভোট কাকে বলে মানুষ তা জানে না। ভোট কেন্দ্রে মানুষ যেতো না। তিনি আরো বলেন, ভোট হলো আমানত। ভোটের মাধ্যমে একজন ভালো মানুষ নির্বাচিত হবে। আপনার ভোট আগামীদিনে আপনিই দিবেন, পছন্দের প্রার্থীকে দেবেন। জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে আমরা বিদায় নেব।

উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আরেকটি সরকার না আসা পর্যন্ত আমরা দায়িত্ব পালন করব। এই সরকারের অগ্রাধিকার হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই অর্থনীতি অর্জন, আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও কিছুক্ষেত্রে সংস্কার করা। ইতোমধ্যে কিছু সংস্কার কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা কাজ করে যাচ্ছে।

বায়তুশ শরফের অবদান তুলে ধরে ড. খালিদ বলেন, বায়তুশ শরফ একটা ইতিহাস। দেশব্যাপী এই সংগঠনের শত শত মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত  হাসপাতাল রয়েছে। এ সংগঠনের জনসম্পৃক্ততা এককথায় অসাধারণ। বিদেশি কোন সাহায্য-সহযোগিতা কিংবা অনুদান নেই, শুধু স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে এতো বড় কর্মযজ্ঞ আমাদেরকে অবাক করে দেয়। তিনি বায়তুশ শরফের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

বায়তুশ শরফের পীর আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ধর্মসচিব মুঃ আঃ হামিদ জমাদ্দার, অতিরিক্ত সচিব(উন্নয়ন) মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপদেষ্টা কক্সবাজার বায়তুশ শরফ হাসপাতালের ভিআইপি কেবিন ও ওয়ার্ড, বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলা ও কারিগরি শিক্ষাভবন, ছাত্রীদের নামাজের ঘর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মসজিদ ও একাডেমিক লাইব্রেরি উদ্বোধন করেন। এছাড়া, উপদেষ্টা কক্সবাজার জেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পরে উপদেষ্টা কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও হিলডাউন সার্কিট হাউস সভাকক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

Related Articles

ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-১।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

মোঃআশরাফুল আলম: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃআশরাফুল আলমঃ আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিবে তাঁর বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

আরও পড়ুন

গণভোটের লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার -অধ্যাপক আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ফ্যসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman