Somoy News BD

২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

পাটের অনৈতিক মজুতদারি করা যাবে না: উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘ পাট শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে।পাটের অনৈতিক মজুতদারি করে রাখা যাবে না।যতটুকু মজুত করার প্রয়োজন ততটুকুই করতে হবে। পাটকে আবেগ দিয়ে বাঁচানো যাবে না। পাটকে বাঁচাতে হলে এর ব্যবহারিক মূল্য ও ব্যবহারিক উপযোগিতার তৈরি করতে হবে। শৈল্পিক মূল্য দিয়ে পাটকে বাঁচানো যাবে না। পাটকে বাঁচাতে স্কেল-আপ করতে হবে। সাপ্লাই চেইন নিয়ে সমস্যাগুলি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে। ‘

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মনিপুরী পাড়ায় জেডিপিসি প্রাঙ্গণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়াধীন জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) এর উদ্যোগে (১২-১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪) ছয় দিনব্যাপী বহুমুখী পাটপণ্য মেলা ও ফটোগ্রাফি প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আরো বলেন, ‘ তৈরি পোশাক শিল্পে উদ্যোক্তারা নিজেদের উদ্যোগে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসার পর ব্যাংক অর্থায়ন শুরু করে। পাটের সেই জায়গা তৈরি করুন, তারপর ব্যাংক অর্থায়নে এগিয়ে আসবে। ‘

দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা আরও বলেন,  ‘আমি ব্যবসায়ীর প্রতিনিধিত্ব করছি না, দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছি। এটা আশা করবেন না যে, রাষ্ট্র সব কিছু করে দেবে। আপনি শুরু করুন, রাষ্ট্র আপনার সাথে আছে। একটা ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র চাই যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন দায়বদ্ধ থাকেন।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রউফ ও জুট মিলস এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পাটখাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার নানা দিক আলোকপাত করেন।

এসময় মন্ত্রণালয়ের অতি সচিব সুব্রত শিকদার,
জেডিপিসি’র নির্বাহী পরিচালক জিনাত আরা,
এইচ এন্ড এইচ ফাউন্ডেশনের এর সভাপতি এম সাফাক হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনশেষে বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা মেলার প্রদর্শনী স্টলগুলো ও ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, সরকার গত পহেলা নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে পলিথিন ব্যাবহার নিষিদ্ধ করেছে। তাই পলিথিন শপিং ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ ব্যবহারের জনগনকে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে এইচ এন্ড এইচ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘সোনালী আঁশ পাট দিয়ে স্থির চিত্র প্রদর্শনী, ফটোগ্রাফি ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

প্রসঙ্গত, এ মেলায় প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত্রি ০৮ টা পর্যন্ত পাটপণ্যের প্রদর্শনীর ৩৪ টি স্টলে বিভিন্ন প্রকার ব্যাগ , অফিস আইটেমস , নার্সারী আইটেম , হোম টেক্সটাইল , পরিধেয় বস্ত্র, বিভিন্ন ধরণের জুতা ও শোপিসসহ ব্যবহারযোগ্য বহুবিধ পাটপণ্য সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হবে।

Related Articles

ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ভাটারা থানার গ্যারেজ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-১।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

মোঃআশরাফুল আলম: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃআশরাফুল আলমঃ আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিবে তাঁর বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

আরও পড়ুন

গণভোটের লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার -অধ্যাপক আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ফ্যসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman