Somoy News BD

১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেবিচকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় শুরুতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ইতিহাস এবং দেশের আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়।

পরে মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন করেন এবং এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এছাড়া দ্রুত টার্মিনালটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য চালু করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তাঁরা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজ ও ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালও পরিদর্শন করেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

বিমানবন্দরের লাউঞ্জে দায়িত্বরত কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের প্রতি সেবার মান উন্নত করা এখন সময়ের দাবি। অনেক প্রবাসী ভাই-বোন দেশের বিমানবন্দরে এসে বিভিন্ন বিষয় বুঝতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হন। তাই সেবার ধরণ ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা যেন কোনো ধরনের কষ্ট না পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং সেই অর্থ থেকেই আমাদের বেতন হয়। তাই তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে।” তিনি আরও জানান, সেবার মান নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করা হবে।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে তাদের ‘স্যার’ সম্বোধন করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিমানবন্দরের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সকল পর্যায়ে জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।

উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবার মান উন্নয়ন এবং যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ মন্ত্রণালয় ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন

Related Articles

নির্মাণাধীন স্থাপনা দখলের চেষ্টা, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ নুরুল হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্মাণাধীন স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, দফায় দফায় হামলা, মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নুরুল হাসান। বৃহস্পতিবার (৮

আরও পড়ুন

বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‎বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-কেম এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের টেক্সটাইল পেশাজীবীদের অনুপ্রাণিত করার প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদ

আরও পড়ুন

শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন,

আরও পড়ুন

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, বিপিএম সেবা বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman