Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক উন্মুক্ত ছড়া-কবিতা পাঠ ও ‘একুশ ছুঁয়ে কানামাছি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও কবিদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ আয়োজনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিশুসাহিত্যিক রহীম শাহ, শিশুসাহিত্যিক আনজীর লিটন, শিশুসাহিত্যিক আহমেদ জসিম, শিশুসাহিত্যিক চন্দনকৃষ্ণ পাল, শিশুসাহিত্যিক রমজান মাহমুদ, শিশুসাহিত্যিক জাকির হোসেন কামাল এবং কানামাছি’র সম্পাদক ও প্রকাশক মঈন মুরসালিন।

সম্মানিত অতিথিগণ ‘কানামাছি’ পত্রিকার দুই দশকের পথচলার প্রশংসা করে বলেন, শিশু-কিশোরদের মনন গঠনে এবং শুদ্ধ সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে যে ভূমিকা রেখে আসছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগামীতেও কানামাছি নতুন প্রজন্মের মাঝে সুস্থ ধারার সাহিত্য ছড়িয়ে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সূচনা বক্তব্যে কানামাছি’র সম্পাদক ও প্রকাশক মঈন মুরসালিন বলেন-শিশুসাহিত্য হলো সেই জাদুকাঠি, যা ছোটদের কল্পনার জগৎ খুলে দেয়, আর ছোটদের পত্রিকা হলো সেই রঙিন জানালা, যা তাদের কৌতূহলকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দেয়। ‘কানামাছি’ ছোটদের সাহিত্যপত্রিকা হিসেবে বাংলাদেশের শিশু-কিশোর সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। এটি শিশুদের সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তি ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ‘কানামাছি’ শুধু একটি শিশুতোষ পত্রিকাই নয়, এটি একটি সাহিত্যিক ও নৈতিক পাঠশালা, যা ভবিষ্যতের প্রজন্মকে আরও সচেতন, কল্পনাপ্রবণ এবং মানবিক করে তুলতে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে আগত লেখক ও বাচিকশিল্পীগণ লেখা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী লেখকদের মধ্যে ছিলেন—গোলাম নবী পান্না, তাহমিনা শিল্পী, মালেক মাহমুদ, শামীম হাসনাইন, নাফে নজরুল, পলি রহমান, আলমগীর খোরশেদ, সাগর আহমেদ, উম্মুল খায়ের, শিরিন শিলা, আনসার আলী, সালমা সুলতানা, রুখসানা বিলকিস, শামসুদ্দিন হীরা, তাসলিমা হাসান রুনু, জেসমিন দীপা, সুমন ভূঁইয়া, সৈয়দা কানিজ রাসুল, তাসরিবা তাহমিদ, শারমিন হক, মোহাম্মদ জুবায়ের, সাইদ খোকন নাজিরী, সাবিক মাতিউন ভূঁইয়া, সবুজ ইসলাম, সৈয়দ একরামুল হাসান, মাহমুদা সিদ্দিকা সুমি, মাহফুজা আক্তার মীরা, ফজলুল কাদের হৃদয়, সুলেখা আক্তার শান্তা, সাহেব বিপ্লব, রাশিদুল হাসান বাচ্চু, শামীম রহমান, মেহেদী হাসান হেলাল প্রমুখ।

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman