Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

বর্তমানে বাসা-বাড়িতে গ্যাসের নতুন সংযোগ দেওয়া সম্ভব নয় -জ্বালানি উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশে গ্যাসের সংকট রয়েছে তাই বাসাবাড়িতে গ্যাসের সংযোগ দেব বলে আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিতে পারব না। কেউ চাইলে গ্যাসের লাইন দেওয়া যাবে তবে সেই লাইনে প্রতিনিয়ত গ্যাস সরবরাহ দেওয়া কঠিন হবে। তখন লাইন ও মিটার থাকলে গ্রাহককে চার্জ দিতে হবে। ভবিষ্যতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে হয়তো এ সমস্যার সমাধান হবে।’

আজ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বর নগরের বেগমগঞ্জ-৪ ওয়েস্ট কূপের খনন কাজ পরিদর্শনকালে জ্বালানি উপদেষ্টা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘দেশ থেকে অনেক টাকা পাচার হয়ে বাইরে চলে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রারও সংকট রয়েছে। বাপেক্সের মাধ্যমে যে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে, তাও আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় কম। যেখানে দেশে ৪ হাজার এমসি গ্যাস প্রয়োজন সেখানে আমরা ৩ হাজার এমসি গ্যাস পাচ্ছি। আমাদের গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। এটার জন্য প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়।’

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির বলেন, ‘দেশে লুটপাট হয়েছে এটা আপনারা সবাই জানেন। আমরা দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকব। আমাদের অনুসরণ করে আমাদের সচিবরাও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন। আগে গ্যাসের দাম সরকার নির্ধারণ করত। এখন আর সরকার করে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে থাকে। তারা গ্রাহক ও যারা এলপি গ্যাস আমদানি করে থাকে, তাদের সঙ্গে কথা বলে বোতলজাত গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে থাকে।’

সফরের অংশ হিসেবে সকালে জিটিসিএল (GTCL)-এর বাখরাবাদ-মেঘনাঘাট-হরিপুর ৪২” পাইপলাইন প্রকল্পের মেঘনাঘাট এলাকায় পাইপলাইন স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় উপদেষ্টা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পের সকল কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

দুপুরে উপদেষ্টা নোয়াখালী জেলার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে শ্রী শ্রী মহামায়া সার্বজনীন পূজামণ্ডপ
পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মের লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাঁদের খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার, বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শোয়েব, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল ফারুকসহ প্রমূখ।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman