Somoy News BD

৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ-জ্বালানি মহাপরিকল্পনায় জাপানের প্রভাব খতিয়ে দেখা হল জ্বালানি সমৃদ্ধি সম্মেলনে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃবাংলাদেশের সমন্বিত বিদ্যুৎ-জ্বালানি মহাপরিকল্পনাটি অর্থনৈতিকভাবে অলাভজনক, প্যারিস চুক্তি ও জি৭ এর নানান অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি আমাদের নেট জিরো লক্ষ্যকেও খর্ব করে। জাপানের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় এ বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনাটি তৈরি করেছিল ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইকোনমিকস, জাপান (আইইইজে), তাদের সহযোগিতা করেছিল জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। এই মহাপরিকল্পনা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে আরও আর্থিক অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে কিনা বাংলাদেশ জ্বালানি সমৃদ্ধি-২০৫০ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে তা-ই খতিয়ে দেখা হয়েছে।

“এই মহাপরিকল্পনাটি বানানোই হয়েছে জাপানি কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ লাভ নিশ্চিত করতে, এবং নিজেদের উদ্বৃত্ত এলএনজি এশীয় দেশগুলোর কাছে পুনরায় বিক্রির লক্ষ্যেই কেবল জাপান বাংলাদেশে এ ধরনের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে,” মন্তব্য করেছেন জাপান সেন্টার ফর সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোসাইটির (জেএসিএসইএস) প্রকল্প পরিচালক ইউকি তানাবে। বাংলাদেশ জ্বালানি সমৃদ্ধি-২০৫০ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশে ন্যায্য রূপান্তরে দ্বিপাক্ষিত অংশীদারিত্বের ভূমিকা শীর্ষক এক অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিবেচনায় এই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনাটি (IEPMP) মোটেও কার্যকর হবে না, কেননা এতে ২০৫০ সালের মধ্যে ১৫% অ্যামোনিয়া এবং হাইড্রোজেন কো-ফায়ারিং ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, এটি নবায়নযোগ্য শক্তির চেয়ে ৪ গুণ বেশি ব্যয়বহুল।

ইউকি আরও বলেন, “এই আইইপিএমপি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর নয়। এতে উন্নত প্রযুক্তির নামে মিথ্যা ও ব্যয়বহুল সমাধানের কথা উল্লেখ রয়েছে এবং এই অপরীক্ষিত প্রযুক্তিগুলো নবায়নযোগ্য শক্তির তুলনায় খুবই ব্যয়বহুল। তাই, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনাটির ব্যাপক সংশোধন প্রয়োজন এবং জাপানের উচিত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জ্বালানি রূপান্তরের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা।”

অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুচি তোমোহাইড বলেন, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের এই মুহূর্তে হাইড্রোজেন এবং অ্যামোনিয়া প্রযুক্তিগুলো প্রয়োগ করা উচিত নয়। তবে যখন নতুন এই প্রযুক্তিগুলো কার্যকর বলে প্রমাণিত হবে এবং সার্বিকভাবে প্রযুক্তিগুলোর আরও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে, তখন প্রয়োজন মতো বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা সংশোধন করা যাবে।”

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনাটি যে সংশোধন করা উচিত তা নিয়ে সম্মত হন ইচিগুচি-ও; বাংলাদেশ এনার্জি সমৃদ্ধি সম্মেলন ২০৫০-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় জ্বালানি উপদেষ্টাও এই সংশোধনীর কথা উল্লেখ করেছেন। ইচিগুচি বলেন, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা একটি জীবন্ত দলিল। তাই পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সাথে এই মাস্টার প্ল্যানও সংশোধন হওয়া উচিত। জাইকা বাংলাদেশেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ এবং একই সাথে জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য অর্জনেও সহায়তা করেছে এবং করবে।”

বাংলাদেশে ন্যায্য রূপান্তরে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারীত্বের ভূমিকা শীর্ষক এ অধিবেশনে দেশে জ্বালানি রূপান্তর ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক অংশীদার চীন ও নেপালের বিনিয়োগের গুরুত্বের ওপরও আলোকপাত করা হয়।

এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ এশিয়া প্যাসিফিকের সমন্বয়ক বারিশ হাসান চৌধুরী, অয়েল চেইঞ্জ ইন্টারন্যাশনালের (ওসিআই) জাপান ফাইন্যান্স ক্যাম্পেইনার মাকিকো আরিমা অধিবেশনটি পরিচালনা করেন।

মূল্য চেইন, নীতি চেইন ও নির্গমন চেইন বিবেচনায় বাংলাদেশে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন যে অগ্রহণযোগ্য এবং মোটেও টেকসই নয় অধিবেশনে উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে তা ফুটে উঠেছে। এতে দেখানা হয়েছে যে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের দক্ষতা খুবই বাজে এবং এটি অর্থনৈতিকভাবে অলাভজনক; অথচ নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে সফলভাবে ৯৭.৮% বিদ্যুৎ পাওয়া যায় এবং এটি বেশ সস্তাও।

নবায়নযোগ্য শক্তির জন্য জমির সীমাবদ্ধতা, জ্বালানি রূপান্তরে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সংক্রান্ত অন্য আলোচনাগুলোতেও বক্তারা বাংলাদেশে জ্বালানি রূপান্তর এগিয়ে নিতে জাপান ও জি৭ দেশগুলোর ভূমিকা, দক্ষিণ এশীয় জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং এডিবি এবং এআইআইবি-র ঐতিহাসিক ভূমিকা ও সামনে কী কী করতে পারে তা নিয়ে কথা বলেন।

ন্যায্য ও টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক আরেক অধিবেশনে বক্তারা আর্থিক খাতে জবাবদিহিতা, কমপ্লায়েন্স ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশের শ্রেণিবিন্যাসের কাঠামো সংশোধন এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেও বলেন, যেখানে ব্যাংকগুলো তাদের আর্থিক নীতি, প্রকল্পের নথিপত্র ও ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশ নিশ্চিত করবে।

নীতিনির্ধারক, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন অংশীদার, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারী ও  অর্থদাতা, নাগরিক সমাজের নানান সংগঠন ও তরুণ-যুবাসহ ৩০০-র বেশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবারের ‍তিনদিনব্যাপী এই দ্বিতীয় ‘বাংলাদেশ জ্বালানি সমৃদ্ধি-২০৫০’ সম্মেলনে একত্রিত হয়েছেন। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সম্মেলনের সফলতার ওপর দাঁড়িয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির পথে অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করা এবং টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বর্ধিত কলেবরে ২৩টি সংগঠনের মিলিত উদ্যোগে এবারের এ আয়োজন হচ্ছে। 

Related Articles

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুর: জ্বালানি খাতে শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ কৃত কোম্পানিতে ৫% শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে

আরও পড়ুন

জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ

আরও পড়ুন

গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের চলমান বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও মাছের পোনা উদ্ধারসহ আটক ২৬৫ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে

আরও পড়ুন

সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতির কোন কল্যাণ হবে নাঃ                                                                                                                       আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্বই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান আযাব- গজবেরই পথ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যা ৩টি: (১ম) মৌলিক সমস্যা- ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। (২য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার এবং (৩য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার। তিনি বলেন, মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান না হলে কোন সমস্যার’ই প্রকৃত সমাধান হবে না । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান হয়নি বিধায়; জাতীয় জীবনে দিন দিন সমস্যা বেড়েই চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও সমস্যাবলীর সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে- একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন শেখ হাসিনা আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীনে থেকেই একনাগারে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার গোলামে পরিণত করেছিল এবং পুরো জাতিকে তার গোলামে পরিণত করার আয়োজন করেছিল। আলকুরআনের পরিবর্তে কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে এবং তার দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এ বিপর্যয় মূলতঃ তার এবং তার দলের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে “সমাজ এবং রাষ্ট্রের মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং সমাধানের উপায়” বিষয়ে সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে মুক্ত হবে না, কারণ যারাই ক্ষমতায় আসবেন তারা ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান- আযাব-গজবের পথ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ত্যাগ ও অমান্য করে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান আলকুরআনের আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করা, যা কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ। এ পথেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, সকল মানুষের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। কল্যাণ ও মুক্তির পথেই ‘ইসলামী সমাজ’ এগিয়ে চলছে- একথার উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহবান জানান ৷ ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, আবু জাফর মুহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ আলী জিন্নাহ্, আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা,, সাইফুল ইসলাম মিঠু ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।  

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman