Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে শুধাংসু কুমার সাহার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি,

শুধাংসু কুমার সাহা ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে সরকারি কর্ম কমিশনের (বিসিএস) প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০৫ সালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (আইডি নং ১০৯০৫০৪১) হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যোগদান করেন। তিনি বগুড়ার ধুনট উপজেলার বাসিন্দা এবং বিএনপি সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় পরবর্তীতে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ব্যাপক হয়রানির শিকার হন।
দুঃশাসন ও হয়রানির ইতিহাস
বদলি ও হয়রানি:দীর্ঘ দুই দশকের চাকরিকালে তাঁকে ১৬ বার বদলি করা হয়, যা নিয়মবহির্ভূত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান।
বিভাগীয় মামলা ও হুমকি: ২০১৭-২০১৮ সালে তৎকালীন সচিব হেলালুদ্দিন আহম্মদের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়, যা পরবর্তীতে রায়ে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
হত্যার হুমকি সম্প্রতি, ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে কুমিল্লায় অফিসে অবস্থানকালে অজ্ঞাতনামা ৪ জন ব্যক্তি তাঁকে হত্যার হুমকি দেয় এবং চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এ ঘটনার পর তিনি কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় জিডি নং ১২৮০ দায়ের করেন।

অবৈধ বরখাস্ত ও বর্তমান অবস্থা
২৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে ঢাকায় বদলি করা হয় এবং সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। এটি তাঁর চাকরি জীবনের দ্বিতীয়বারের মতো বিনা কারণে বরখাস্তের ঘটনা। তিনি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৭(২) অনুযায়ী শুনানির আবেদন করেছেন এবং ১৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জবাব দাখিল করেছেন।

কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সংকট
শুধাংসু কুমার সাহা একজন মেধাবী ও সৎ কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য নেই।
তিনি পাঁচ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বর্তমানে দূর্মূল্যের বাজারে তাঁর পরিবার চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে।

আমাদের দাবি
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আমাদের জোরালো দাবি:
১. শুধাংসু কুমার সাহার বরখাস্তের আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনর্বহাল করতে হবে।
২. তাঁর বিরুদ্ধে চলমান সকল হয়রানি ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের তদন্ত করে দোষীদের বিচার করতে হবে।
৩. নির্বাচন কমিশনে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

একজন সৎ, মেধাবী ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার কোনো সুযোগ থাকতে পারে না। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর প্রতি ন্যায়বিচার করবে এবং তাঁকে পুনর্বহাল করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman