Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের কর্মীসভা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে মোহাম্মদপুরে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোহাম্মদপুর বসিলা ব্রিজ সংলগ্ন শ্রমিক দলের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমিনুল হক,আহবায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃহাজী ইউসুফ,যুগ্ন আহবায়ক
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, প্রধান বক্তা হুমায়ুন কবির খান, সাধারণ সম্পাদক
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, উদ্বোধক কাজী শাহ আলম  রাজা,প্রধান আলোচক,মনজুরুল ইসলাম  মঞ্জু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শ্রমিক  দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।বিশেষ অতিথি কামরুজ্জামান সদস্য সচিব  ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল,বিশেষ  অতিথি ফরহাদ হোসেন বুলেট,যুগ্ন আহ্বায়ক  ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল।সঞ্চালনায় ছিলেন মুসলে উদ্দিন বাবলু
পন্ডিত,যুগ্ম আহবায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দল।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্বে ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ আলী কায়সার পিন্টু।

শ্রমিক দলের নেতারা বলেন,৩১ দফা বাস্তবায়ন করলেই বাংলাদেশ একটি সুখী সুন্দর সমৃদ্ধশালী একটি উন্নত দেশ হবে।
নেতারা আরো বলেন, আগামীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে এ দেশ কে এগিয়ে নিতে হবে। তারেক রহমানের হাত কে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান করেন। এসময় মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার সাকিব বলেন, এই শ্রমিক দলের কর্মীরাই দীর্ঘ ১৮ বছর মাঠে ছিলো। আমরা তাদের ভুলি নাই, কখনো কেউ  ভুলবে না। সবাই এক সঙ্গে থেকে আগামী নির্বাচনে বিএনপি কে জয়যুক্ত করে আমরা ঘরে ফিরবো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে একটি সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতেও আহ্বান করেন করেন নেতারা।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিকদলের
সদস্য সচিব হেমায়েদ গাজী। আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা  বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার সাকিব। ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রাজ। উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক দল নেতা রুহুলআমীন গাজী,মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের সংগাঠনিক সম্পাদক মোঃ
ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর,যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ ফারুক,মোঃ আব্দুল সোবহান শেখ,
নিজাম হাওলাদার, নূর হোসেন অলি,মোঃ বাবু,ওমর মাদবর,মোহাম্মদ ইয়ামিন সহ ৫ টি ওয়ার্ডের শ্রমিক দলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব সহ শত শত নেতাকর্মীরা।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman