Somoy News BD

১০ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

বৈষম্যমুক্ত অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিতে কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে -কৃষি উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন,  বৈষম্যমুক্ত অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিতে কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
উপদেষ্টা আজ রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মিলনায়তনে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফএও এর বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি ড. জাউকিন শি।

উপদেষ্টা বলেন,  দেশের বেকারত্বের হার হ্রাসে  কৃষিখাতকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের কৃষির উপর নির্ভরশীল ৭০ শতাংশ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে না পারলে সত্যিকারের বৈষ্যমমুক্ত সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

উপদেষ্টা বলেন, কৃষি খাতে প্রায়োগিক গবেষণা বাড়াতে হবে। প্রতিটি গবেষণার ফলাফল কৃষক পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। দেশের বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে কৃষি জমি রক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন,  শিল্পায়নের নামে যাতে উর্বর কৃষি জমি অকৃষি খাতে চলে না যায়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।

উপদেষ্টা আরও বলেন,  আমরা প্রতি বছর সার খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তূকি দিয়ে আসছি। সার বরাদ্দের শর্তে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় এই ভর্তূকি কতদিন চলমান রাখা সম্ভব তাও ভাবনার বিষয়। কিভাবে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো যায়, সে সর্ম্পকে গবেষণা জোরদার করার জন্য উপদেষ্টা আহবান জানান।
উপদেষ্টা  জলাধার রক্ষা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বনভূমি রক্ষা ও নতুন বনায়ন করা, যথাযথ গবেষণার মাধ্যমে প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতি অবলম্বন করা, মাটির সঠিক ব্যবহার এবং পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতি আমাদের কৃষিবিদদের অধিকতর যত্নবান হওয়ার আহবান জানান।

উপদেষ্টা বলেন,  বাংলাদেশে এখন সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ হচ্ছে, যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ করা হচ্ছে।  পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য নেয়া হয়েছে নানা প্রকল্প। এ সকল কার্যক্রমের সাফল্য নির্ভর করবে মাটির সুস্বাস্থ্যের ওপর। যেহেতু ক্রমাগতভাবে আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে এবং আবাদি জমির পরিমাণ কমছে, তাই উন্নত জাত ও ফসল নিবিড়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে অধিক খাদ্য উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এম জহির উদ্দিন।

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman