Somoy News BD

৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচন দিন -মোঃ আব্দুল কাদের

মঞ্জুর:ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে  ১৭ আগস্ট ২০২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টির আয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার “প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদের। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদ এর সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলু, গনফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি মোঃ জগলুল হায়দার আফ্রিক, গনঅধিকার পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম খান রনো, পারভীন নাসের ভাসানী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার এ্যাড জসিম উদ্দিন, আতিকুর রহমান, মাহফুজা বেগম, আব্দুল মালেক, মহাসচিব মোঃ হারুন অর রশিদ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।  সভাপতির বক্তব্যে বিডিপিপির চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ বুক ভরে নিশ্বাস নিতে পারছে। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মানুষ আজ স্বাধীন। গত ১৬ বছর এদেশের মানুষকে জিম্মি করে একনায়কতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিলো। দূর্নীতি, ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, অর্থ পাচার, নির্বাচন ব্যবস্থা ও গনতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। বাঙলার দামাল ছেলেরা ছাত্র সমাজ স্বৈরশাসককে দূর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তাদের অপশাসন থেকে আমরা আজ মুক্ত। এখন সময় এগিয়ে যাবার।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা যৌক্তিক সময় নিয়ে যেসব সংস্কার করা দরকার সেটি করেন। বিশেষ করে এই বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনারদের বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিতে হবে। বিতর্কিত ও জটিল রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন বাতিল করে সহজ প্রক্রিয়ার মধ্যে নিবন্ধন আইন করে গনতন্ত্রকে সুসংহত করতে হবে।স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করতে হলে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংবিধান বহির্ভূত, এটি বাতিল করতে হবে। দ্রুত একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুস্ঠু নির্বাচন এর মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করে গনতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে হবে।  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বড় কিছু অর্জন করতে হলে অনেক ত্যাগ করতে হয়। আমরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি যেন দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসে। আমরা আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক সহ প্রায় ২১৭ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছি। আমরা অসুস্থ রোগিদের পাশে আছি সার্বক্ষণিক তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছি। একটা চেয়ার ক্ষনস্থায়ী কিন্তু দেশ চিরস্থায়ী।আমরা কাউকে প্রতিপক্ষ মনে করি না। সবাইকে ধৈর্য নিয়ে একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হবে।

Related Articles

সড়ক নিরাপত্তায় ব্যয়ের সুফল নিশ্চিত করতে হবে: শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সড়ক নিরাপত্তায় বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও নেওয়া প্রকল্পগুলোর সুফল কতটা পাওয়া যাচ্ছে, তা মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং

আরও পড়ুন

মতিঝিল বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৭৫

মোহাম্মদ আব্দুল গাফফারঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৭৫ জনকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত H.E. Mr. Ghanshyam Bhandari সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (রবিবার)

আরও পড়ুন

মহাখালী টার্মিনালের অপেক্ষমাণ বাস পূর্বাচল ডিপোতে স্থানান্তরে ডিএমপি ট্রাফিকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী বাস ডিপোতে স্থানান্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman