Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি

মঞ্জুর:

বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন মাদরাসাসহ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। বুধবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলরুমে, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান বৈষম্য, অনিয়ম ও অসংগতি দূরীকরণের লক্ষ্যে মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, মোঃ মিজানুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ শান্ত ইসলাম বলেন, শিক্ষকরা রাজনীতি করেন না, এটি তাদের কাজও নয়। কিন্তু বছরের পর বছর তারা রাজনীতির চাপে পিষ্ট। সরকার আসে, সরকার যায়, কিন্তু শিক্ষকরা অমানবিক কষ্ট, সীমাহীন দুর্ভোগ ও মানবেতর জীবনযাপন থেকে মুক্তি পায় না। শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তি যেন সোনার হরিণ। তিনি আরও জানান, ২০১৩ সাল থেকে বিএমজিটিএ মাদরাসায় কর্মরত বৈষম্যের শিকার সাধারণ শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করছে।  প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আপনি বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিমণ্ডলে মানবতাকামী, পরিচ্ছন্ন ও মুক্তিকামী মানুষ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মুক্তিকামী<span;>মানুষ স্বাধীনতার সুফল থেকে বঞ্চিত। আমাদের প্রত্যাশা, শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান বৈষম্য দূরীকরণে আপনি কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। সংগঠনটি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি নতুন শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮’-এর সংশোধনের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনের উপস্থাপিত প্রধান দাবিসমূহ-

• মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ।

• বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান।

• সম্মানজনক বাড়ি ভাড়া প্রদান।

• চিকিৎসা ভাতা প্রদান।

• মহার্ঘ ভাতা প্রদান।

• মাদরাসায় কর্মরত বৈষম্যের শিকার সহকারী শিক্ষকদের ১৬ বছরে অষ্টম গ্রেড প্রদান।

• মাদরাসায় কর্মরত বৈষম্যের শিকার সকল প্রভাষকদের ১৬ বছরে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি।

• ইবতেদায়ী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড প্রদান।

• অবসরের তিন মাসের মধ্যে কল্যাণ ও অবসরের ভাতা প্রদান।

• ইএফটি-এর মাধ্যমে যাতায়াত ভাতা প্রদান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন, শাহ মোহাম্মদ কবির, তাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি খন্দকার বিল্লাল আহমেদ পলাশ, মো. আবু বকর সিদ্দিক, আব্দুল লতিফ ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. মনিরুজ্জামান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক মোঃ শাহআলমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলন শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman