Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

মিয়ানমারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃবাংলাদেশ দূতাবাস, ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমারে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়েছে। ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মো: মনোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এর উপ-প্রকল্প পরিচালক লে: কর্ণেল মো: শামস আখতার, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ইসরাত জাহান। এছাড়া পাসপোর্ট কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, দুতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ এবং মিয়ানমারে বসবাসরত বাংলাদেশের নাগরিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এর উপ-প্রকল্প পরিচালক লে: কর্ণেল মো: শামস আখতার, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স তাঁর বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের ওপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি ই-পাসপোর্টের প্রযুক্তি ও এর সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মান্যবর রাষ্ট্রদূত মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং ২০২৪-এর জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার গনঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দিক নির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবা প্রদানের এক নতুন দিগন্ত উম্মোচন হয়েছে এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রক্রিয়াসমূহ সহজতর ও নিরাপদ হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ দূতাবাস ইয়াঙ্গুনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়/দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা তাঁদের বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট সেবা হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং একই সঙ্গে তাঁরা বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

অত:পর প্রধান অতিথি ও অতিথিবৃন্দ বাংলাদেশ দূতাবাস, ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমারে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষনা করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ প্রদান করেন। পরে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ দূতাবাসে স্থাপিত ই-পাসপোর্ট সিস্টেম পরিদর্শন করেন।

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman