Somoy News BD

১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

মেরিটাইম ইন্ড্রাস্টিকে নিরাপদ ও ডিজিটাল করতে বিএসসিএল ও স্টারনুলার মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশের মেরিটাইম খাতে স্যাটেলাইট ভিত্তিক অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) স্থাপনের মাধ্যমে জাহাজ চলাচলকে নিরাপদ ও ডিজিটাল করতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) ও ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান স্টারনুলা (Sternula)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিএসসিএলের কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএসসিএলের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান ও স্টারনুলার পক্ষে সিইও লার্স মলস্টেন এমওইউটি স্বাক্ষর করেছেন।
এছাড়াও সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক দূতাবাসের হেড অব ট্রেড মিশন আলি মুশতাক বাটসহ উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এআইএস ২.০/ ভিডিইএস (AIS 2.0/VDES) বিশ্বের প্রথম প্রযুক্তি যা সমুদ্র পথের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে। বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে এ সার্ভিস প্রদান করছে ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান স্টারনুলা।
স্যাটেলাইট ভিত্তিক এআইএস একটি ট্র্যাকিং সিস্টেম, যা শিপিং লাইন, ফিশিং ট্রলার, বন্দর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জাহাজের অবস্থান, গতিবিধি, গন্তব্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতে সাহায্য করে।
এছাড়াও নেভিগেশন সতর্কীকরণ প্রযুক্তিও রয়েছে এই সিস্টেমে।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিএসসিএল ও স্টারনুলা সমুদ্রে চলাচলকারী বিভিন্ন বড়-ছোট জাহাজে যোগাযোগ স্থাপন, জাহাজ অপারেশন আরো আধুনিক ও ডিজিটাল করা, সমুদ্রবন্দরগুলোর সাথে চলাচলকারী জাহাজের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপন, সমুদ্রে আরো বেশি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি ও নতুন ইনোভেশন বৃদ্ধিতে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
উল্লেখ্য, মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে দেশে প্রায় ৩৭ হাজার বিভিন্ন ধরনের ফিশিং ট্রলারসহ মোট ৫০ হাজার নৌযান রয়েছে। কিছু কিছু নৌযান প্রায় ১০০ হতে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ফিশিং করতে চলাচল করে থাকে। এ বিশাল সংখ্যক নৌযানকে স্যাটেলাইট ব্যতীত নেটওয়ার্ক প্রদান করা সম্ভব নয়। বিএসসিএল ও স্টারনুলা বাংলাদেশের সমুদ্র অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে।

মেরিটাইম খাতে স্যাটেলাইট ভিত্তিক অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) স্থাপনের মাধ্যমে জাহাজ চলাচলকে নিরাপদ ও ডিজিটাল করতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) ও ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান স্টারনুলা (Sternula)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিএসসিএলের কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএসসিএলের পক্ষে ব‍্যব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান ও স্টারনুলার পক্ষে সিইও লার্স মলস্টেন এমওইউটি স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়াও সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক দূতাবাসের হেড অব ট্রেড মিশন আলি মুশতাক বাটসহ উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman