Somoy News BD

১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

রাজনীতির ময়দান থেকে নির্বাচনী মাঠে নারীর জন্য প্রতিবন্ধকতাগুলো কমতে হবে —উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বাংলাদেশের নারীদের ক্ষমতায়ন ও সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, রাজনীতির ময়দান থেকে নির্বাচনী মাঠে নারীর জন্য প্রতিবন্ধকতাগুলো কমাতে হবে। তিনি ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত নারী প্রার্থীদের জন্য সরকারি তহবিল বিষয়ক ঐতিহাসিক পলিসি ডায়ালগের খসড়া অর্ডিন্যান্সটি স্বাগত জানান এবং সংলাপে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের মতামতের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই সংলাপ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও জাতীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার সংস্কারে সব রাজনৈতিক দলের একসাথে এগিয়ে আসার অঙ্গীকার বহিঃপ্রকাশ।
উপদেষ্টা আজ ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই), ইউকেএইড এর অর্থায়নে B-SPACE প্রকল্পের আওতায় Election Campaign Funding (Woman Candidates) Ordinance’ বিষয়ে পলিসি ডায়লগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, নির্বাচন কমিশন, নারী সংস্কার কমিশনের সদস্য, কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর সদস্য, জুলাই কন্যা , মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সংলাপে প্রস্তাবিত Election Campaign Funding
(Women Candidates) Ordinance বিষয়ে আলোচনা করা হয় একই সঙ্গে নারী প্রার্থীদের জন্য লিঙ্গ সংবেদনশীল সরকারি তহবিল কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহজ আবেদন প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতের জন্য শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয় । ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর মূখ্য পরিচালক ড. মোঃ আব্দুল আলীম খসড়া অর্ডিন্যান্স উপস্থাপনা এবং এর প্রত্যাশিত প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।
বক্তারা সবাই একমত পোষণ করেন যে, এই উদ্যোগ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থাপনাটি সমর্থন জানিয়ে এর বিষয়বস্তু পরিমার্জন ও পাশের পর দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। নির্বাচন কমিশনও নিশ্চিত করেন যে এটি গৃহীত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য তারা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অফ পার্টি (COP) ক্যাথরিন সিসিল বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণা থেকে দেখা যায় যে, সরকারি তহবিল নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে। বর্তমানে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপট পুনর্গঠনের একটি যুগান্তকারী সুযোগ রয়েছে। সুতরাং সরকারি তহবিল নারীদের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করবে এবং সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

Related Articles

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। আসন্ন বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ডিএমপির

আরও পড়ুন

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স যুক্ত করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সবচেয়ে বড় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা ২২৮৪টি। যাতে অধ্যয়ন করছে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা

আরও পড়ুন

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ০৮

আরও পড়ুন

প্রশংসায় ভাসছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সফল পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রুবেল হাওলাদার।পেশাদারিত্ব আর মানব সেবাই যার একমাত্র ব্রত।পেশাগত দায়িত্ব পালন তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman