Somoy News BD

৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

“রাজশাহীতে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NOSHTRI) উদ্বোধনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ”

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশের সামগ্রিক পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার উন্নতি বিধানকল্পে দেশিয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনা করার লক্ষ্যে ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ (NOSHTRI) উদ্বোধন হয়েছে। রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার তেরখাদিয়ায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ায় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক একটি উল্লেখযোগ্য স্থান হতে চলেছে।

আজ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের  দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান, সেনা কল্যাণ সংস্থা’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, , আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পুটিআইনেন; বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ এর হেড অফ প্রধান মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়াসহ প্রমুখ। মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিবৃন্দ, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন অংশীজন, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দও সেসময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মোঃ আবদুর রহিম খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের  উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রায়ই শুনি বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে দুর্ঘটনার ফলে শ্রমিকরা আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে আমরা এইসব দুর্ঘটনাকে সম্পূর্ণরূপে রোধ করতে পারছি না। তিনি বলেন, আমরা দায়িত্বভার নেওয়ার পরেই প্লাজা ও তাজরীন  ফ্যাশনের হতাহতদের সাথে বসেছি, আলাপ-আলোচনা করেছি এবং  হতাহতদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছি।

উপদেষ্টা আরো বলেন, ৭ কোটি ৩০ লক্ষ শ্রমিক প্রতিদিন লড়াই করে যাচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য। প্রোডাক্টিভিটি বাড়িয়ে সমৃদ্ধির পথকে ত্বরান্বিত করতে হলে মালিক-শ্রমিককে ‘কালেক্টিভ অ্যাপ্রোচে’ কাজ করতে হবে। আমাদের কাগজে-কলমে অনেক নিয়ম আছে কিন্তু তার বাস্তবায়ন নেই। বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে দেশ নিশ্চিতভাবে উন্নতি করতে পারবে। এই নবনির্মিত ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শ্রমিকদের মৃতর সংখ্যা কমে আসবে  এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি। আমাদের সহযোগী দেশ এবং ডেভেলপমেন্ট পার্টনাররা তাদের সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখবে এই আশা ব্যক্ত করছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যগত  নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ জোর দিতে হবে। আমরা আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে কাজ করার চেষ্টা করছি। বিদ্যমান শ্রম আইনকে সংস্কার করা নিয়ে এ সরকার কাজ করবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মোঃ আবদুর রহিম খান বলেন, “দেশে শিল্প বিকাশের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশির পেশাগত দুর্ঘটনা, স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা ঝুঁকির মতো সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যা নিরসনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে এই ইনস্টিটিউট। দেশের শিল্পখাতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রম অধিকার রক্ষা ও উন্নত কর্মপরিবেশ বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখবে। ফলে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশিয় পণ্যের ব্র্যান্ডিং ইমেজ বৃদ্ধি সহজতর হবে।”

আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পুটিআইনেন বলেন, “আমরা আশা করি শ্রমিক, ব্যবস্থাপক, ও নীতিনিরধারকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি NOSHTRI শ্রমমান বিষয়ক জ্ঞান বিকাশ ও প্রসারের জন্য একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাদৃত হবে। আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সাথে সংগতিপূর্ন নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি তৈরির মাধ্যমে NOSHTRI পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক নতুন প্রজন্মের বিষেশজ্ঞদের গড়ে তুলবে।”

Related Articles

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুর: জ্বালানি খাতে শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ কৃত কোম্পানিতে ৫% শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে

আরও পড়ুন

জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ

আরও পড়ুন

গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের চলমান বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও মাছের পোনা উদ্ধারসহ আটক ২৬৫ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে

আরও পড়ুন

সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতির কোন কল্যাণ হবে নাঃ                                                                                                                       আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্বই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান আযাব- গজবেরই পথ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যা ৩টি: (১ম) মৌলিক সমস্যা- ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। (২য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার এবং (৩য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার। তিনি বলেন, মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান না হলে কোন সমস্যার’ই প্রকৃত সমাধান হবে না । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান হয়নি বিধায়; জাতীয় জীবনে দিন দিন সমস্যা বেড়েই চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও সমস্যাবলীর সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে- একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন শেখ হাসিনা আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীনে থেকেই একনাগারে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার গোলামে পরিণত করেছিল এবং পুরো জাতিকে তার গোলামে পরিণত করার আয়োজন করেছিল। আলকুরআনের পরিবর্তে কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে এবং তার দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এ বিপর্যয় মূলতঃ তার এবং তার দলের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে “সমাজ এবং রাষ্ট্রের মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং সমাধানের উপায়” বিষয়ে সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে মুক্ত হবে না, কারণ যারাই ক্ষমতায় আসবেন তারা ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান- আযাব-গজবের পথ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ত্যাগ ও অমান্য করে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান আলকুরআনের আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করা, যা কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ। এ পথেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, সকল মানুষের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। কল্যাণ ও মুক্তির পথেই ‘ইসলামী সমাজ’ এগিয়ে চলছে- একথার উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহবান জানান ৷ ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, আবু জাফর মুহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ আলী জিন্নাহ্, আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা,, সাইফুল ইসলাম মিঠু ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।  

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman