Somoy News BD

১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

লোহাগড়া উপজেলায় দেহ ব্যবসা ও মাদক কারবারীর প্রতিবাদ করায় মা ও মেয়েকে বেধরক মারপিট থানায় অভিযোগ

মোঃ শরিফুল মোল্লা নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার
৫ নং লক্ষ্মী পাশা ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের দাশের ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জেসমিন বেগম ( ৫৩ ) স্বামী এবাদুল রেজা ( ৫৫) গ্রাম দাসের ডাঙ্গা সাংবাদিকদের বলেন ।
২ নভেম্বর ২০২৪ রাত ১:৩০ মিনিটের সময় সাজিয়া বেগম (২৫) পিতা করিম সিকদার । ঘরের ভিতরে লোহাগড়া পৌরসভার মোচড়া গ্রামের পল্টু মোল্লার (৩৫) কে লইয়া ইয়াবা সেবন করিয়া অবৈধ কাজে লিপ্ত অবস্থায় আমরা হাতেনাতে ধরি এবং ভিডিও ফুটেজ ধারণ করি। সাজিয়া ও তার পরিবার ইয়াবা গাঁজা ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসা করে আসিতেছেন এবং সাজিয়া পূর্বে থেকে দেহ ব্যবসা করে আসিতেছেন আমাদের বাড়ি সাজিয়ার বাড়ি আমার বাড়ি একই উঠানে হাওয়ায় ইয়াবা সেবনের গন্ধ নাকে আশায় আমরা ঘরের ভেতর প্রবেশ করিয়া বেপর্দা অবস্থায় পল্টু মোল্লার সাথে আপত্তিকার অবস্থায় দেখতে পেয়ে।
ভিডিও ধারণ করি আমাদের আত্মচিৎকারে ।আশেপাশের লোকজন এসে বিষয়টি দেখতে পাই।
পল্টু মোল্লা হাতে পায়ে ধরে লক্ষ্য চোখুর আড়ালে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে চলে যান ।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ায় তিন নভেম্বর সাজিয়া ও সাজিয়ার মদক দাতা গণ আমার ঘরে ভেতর আসিয়া আমাকে ও আমার মেয়ে কামরুন নাহার এবং আমার যা শিউলি বেগম ও শিউলির মেয়ে রাবেয়া উক্ত ঘটনায় দেখতে পেয়েছেন বলে সকলকে বেধড়ক মারপিট করেন। আমার পেটে লোহার ছুরি দিয়ে আঘাত করতে গেলে আমি বাম হাত দিয়ে ঠেকাইয়া দিলে আমার বাম হাতের কব্জি দ্বিখণ্ডিত হয়।
আশেপাশের লোকজন আমাদের ডাক চিত কারে আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে আমার মেয়ে কামরুল নাহারকে ।
ও আমার যা শিউলি বেগমকে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় ভর্তি করেন।
উক্ত এলাকায় বিভিন্ন জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায় সাজিয়া ২০১১ সালে লোহাগাড়া থানায় একটি দেহভিত্তিক মামলা হয় ।
এবং একাধিক বিবাহে আবদ্ধ হয় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের সদ্য ছায়ায় সাজিয়া ও তার মা লাকি বেগম এবং ছোট বোন সোহানা পিতা করিম সিকদার মাদক ব্যবসা সহ দেহ ব্যবসা কাজে লিপ্ত আছেন।
এ বিষয়ে সাজিয়ার সাথে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। উক্ত ঘটনায় জেসমিন বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন । এবিষয়ে লোহাগড়া থানার এসআই আবু শুকুর এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে । বলেন অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ড সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনন্য ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই

আরও পড়ুন

তারেক রহমান ও বিএনপির ঐতিহাসিক জয় ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি’র অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের ঐতিহাসিক নিরঙ্কুশ বিজয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকাস্থ

আরও পড়ুন

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে

মঞ্জুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইলেকশন অবজারভার সোসাইটি নামক একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সোসাইটি। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman