Somoy News BD

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

শহীদ ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে, আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো– উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলম
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মতো যারা এতগুলো বাচ্চারা জীবন দিয়েছে তাদের সবাইকে স্মরণ করি, তারা আছে আমাদের অন্তরে, মনের গভীরে চিরস্থায়ী হয়ে।
তিনি বলেন, শহীদ ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে, আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো।

তিনি আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ সংলগ্ন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শহীদ ফারহান ফাইয়াজ এর ১৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের গর্বিত পিতা মোঃ শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মাতা ফারহানা দিবা বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাবা- মায়ের মনে সন্তান হারানোর যে কষ্ট , বেদনার, তা সান্তনা দেয়ার মতো ভাষা নেই। তিনি বলেন, আজকের সুন্দর পরিবেশে, সুন্দর বিকেলে ফারহানকে স্মরণ উপলক্ষ্যে বাচ্চাদের খেলাধুলার মাধ্যমে, দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে ‘স্মরণ করা’ এটাই হচ্ছে ফারহানকে অন্তরে ধারণ করা, অন্তরে স্মরণে রাখা।
তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুরা ফারহানকে স্মরণে যে চমৎকার ফুটবল খেলার নৈপুণ্য তোমরা দেখিয়েছো, এতে আমি তোমাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামীতে আরো বড় করে স্মরণ করবো ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে । স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, তোমরা যারা অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা শিখছো, তোমরা এমন খেলোয়াড় হয়ে উঠবে এই পৃথিবীর বুকে যে কম্পিটিশনগুলো হয় সেখানে গিয়ে যেন পৌঁছাতে পারো। অলিম্পিকের মত জায়গায় যেন পৌঁছাতে পারো সেটার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এই অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করতে বলেন।

পরে তিনি প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগীদের চ্যাম্পিয়ন লাল দলকে ট্রফি এবং প্রতিযোগী সকল ফুটবল প্লেয়ারদেরকে মেডেল পরিয়ে দেন।
শেষে উপদেষ্টা শহীদ ফারহান ফাইয়াজের ১৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন এবং জন্মদিনের কেক কাটেন

Related Articles

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারকারী চক্রের ০৮ সদস্য সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ

আরও পড়ুন

টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই

আরও পড়ুন

জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman