Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

শহীদ ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে, আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো– উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলম
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মতো যারা এতগুলো বাচ্চারা জীবন দিয়েছে তাদের সবাইকে স্মরণ করি, তারা আছে আমাদের অন্তরে, মনের গভীরে চিরস্থায়ী হয়ে।
তিনি বলেন, শহীদ ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে, আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো।

তিনি আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ সংলগ্ন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শহীদ ফারহান ফাইয়াজ এর ১৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের গর্বিত পিতা মোঃ শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মাতা ফারহানা দিবা বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাবা- মায়ের মনে সন্তান হারানোর যে কষ্ট , বেদনার, তা সান্তনা দেয়ার মতো ভাষা নেই। তিনি বলেন, আজকের সুন্দর পরিবেশে, সুন্দর বিকেলে ফারহানকে স্মরণ উপলক্ষ্যে বাচ্চাদের খেলাধুলার মাধ্যমে, দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে ‘স্মরণ করা’ এটাই হচ্ছে ফারহানকে অন্তরে ধারণ করা, অন্তরে স্মরণে রাখা।
তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুরা ফারহানকে স্মরণে যে চমৎকার ফুটবল খেলার নৈপুণ্য তোমরা দেখিয়েছো, এতে আমি তোমাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামীতে আরো বড় করে স্মরণ করবো ফারহানের মতো এ দেশের সকল বাচ্চাদেরকে । স্মরণ করে আমাদের অন্তরে জায়গা দিয়ে আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়বো।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, তোমরা যারা অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা শিখছো, তোমরা এমন খেলোয়াড় হয়ে উঠবে এই পৃথিবীর বুকে যে কম্পিটিশনগুলো হয় সেখানে গিয়ে যেন পৌঁছাতে পারো। অলিম্পিকের মত জায়গায় যেন পৌঁছাতে পারো সেটার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এই অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করতে বলেন।

পরে তিনি প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগীদের চ্যাম্পিয়ন লাল দলকে ট্রফি এবং প্রতিযোগী সকল ফুটবল প্লেয়ারদেরকে মেডেল পরিয়ে দেন।
শেষে উপদেষ্টা শহীদ ফারহান ফাইয়াজের ১৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন এবং জন্মদিনের কেক কাটেন

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman