Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

শিশুর সুরক্ষায় জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি একটি মাইলফলক উদ্যোগ –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলম
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ সারা দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর সুফলতার জন্য এ কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি একটি মাইলফলক উদ্যোগ। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে টিকাদানের যে ক্যাম্পেইন এতবছর পর আমরা শুরু করতে যাচ্ছি এটা আমাদের জন্য সুখবর।
উপদেষ্টা সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিশু, কিশোর, কিশোরী ক্লাব, প্রতিবন্ধী স্কুলে যে সমস্ত বাচ্চারা আছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই টিকাদান ক্যাম্পেইন তাদের কাছে পৌঁছাবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আজ ঢাকায় আজিমপুর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ১২ অক্টোবর২০২৫ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে ১ ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) প্রদান করা হবে।

জাতীয় পর্যায়ে প্রথমবারের মতো একই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ৫ কোটি শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। জন্মসনদ না থাকলেও শিশুরা এই টিকার সুরক্ষা পেতে পারবে—যাতে কোনো শিশুই টিকাদান থেকে বঞ্চিত না হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) একটি নিরাপদ, উন্নত ও কার্যকর টিকা, যা শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের কম শিশুদের একটি মাত্র ডোজ প্রদানেই ৮৫% পর্যন্ত টাইফয়েড প্রতিরোধ সম্ভব, যা শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুল, মাদ্রাসা ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের সকল শিশু, এমনকি স্কুলবহির্ভূত শিশুদেরও ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। শহরের ভাসমান ও পথশিশুদের টিকাদানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য এই কর্মসূচির আওতায় ৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টিকা প্রদান করা। ইতিমধ্যে ১ কোটি ৬৮ লাখ শিশুর নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে, এবং নিবন্ধনের পর টিকার সনদপত্র সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জাতীয় উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে টাইফয়েড সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং শিশুস্বাস্থ্যের মান ও সুরক্ষা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman