Somoy News BD

৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

শেখ হেলালের আত্মীয় পরিচয়ে হত্যা মামলার আসামী শেখ মহিউদ্দিনের আস্ফালন আওয়ামী প্রেতাত্মারা দখলবাণিজ্যে আবারো মরিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লুটপাট, দখল বাণিজ্য এবং ‘জোর যার মুল্লুক তার’ অবস্থার আপাত:দৃষ্টিতে সমাধান হলেও আওয়ামী লীগের একটি অতি বেপরোয়া চক্রের কার্যক্রম থেমে নেই। দীর্ঘদিনের দখল বাণিজ্যের অভ্যাস তারা মুহূর্তেই পরিবর্তন করতে পারছে না বলেই মনে হচ্ছে। গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের পতনের পর কিছুদিন এই আওয়ামী দুষ্ট-চক্র গা-ঢাকা দিয়ে থাকলেও সম্প্রতি আবারো তারা তাদের পুরোনো পেশায় ফিরে দখল বাণিজ্যের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।  ঘটনাস্থল খোদ রাজধানীর প্রানকেন্দ্র মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা। মতিঝিল সেনা কল্যাণ ভবনের নিকটস্থ একটি প্লট শেখ পরিবারের আত্মীয় পরিচয়ে বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে মহিউদ্দিন শেখ গংরা। কখনো শেখ হেলালের আত্নীয় কখনো শেখ রেহানার আত্মীয় পরিচয় দেয়া হত্যা মামলার আসামী মহিউদ্দিন শেখ গত ৫ই আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলায়নের পর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। সম্প্রতি আবারো পুলিশ প্রশাসনের ছত্র-ছায়ায় মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার একটি প্লট দখলের জন্য মরিয়া হয়ে হামলা মামলা করেই ক্ষ্যান্ত হননি, মতিঝিল থানার একজন উপ-পরিদর্শককে সাথে নিয়ে উক্ত প্লটে অস্থায়ী ভিত্তিতে থাকা দোকানের ভাড়াটিয়াদের নিকট এখন থেকে ভাড়া তাঁর (মহিউদ্দিন) কাছে পরিশোধ করার জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন।
গত ১৬ নভেম্বর ২০২৪ মহিউদ্দিন শেখ ও তার দলের (অজ্ঞাতনামা) ৫০/৬০ জনের নামে রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ১২। মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮ ও ৫০৬।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে এলাকারবাসীর কাছ থেকে  জানা যায় জমির প্রকৃত মালিক এনামুল হক, বদরউদ্দিন, সহ আরো অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। আবদুল মান্নান গং সিএস মালিকের ওয়ারিশ থেকে ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। ঘটনা অনুসন্ধানে আরো জানা যায় সুরুজীত বসু (রাজু) মামলা নং ১৮৫ /২০১১ইং ৫ম যুগ্মজেলা জজ যাহা বর্তমানে ৬২৩/২০১৬ প্রথম অতিরিক্ত যুগ্ম জেলা জজ অদালতে চলমান আছে। সুরজীত বসু (রাজু) নিজেকে দেবত্তর দাবী করেন কিন্তু জেলা প্রশাসক ট্রেজারী শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় উক্ত নোটারী পাওয়ারের সাথে তাদের কাছে রক্ষিত তথ্যের সাথে কোন মিল খোজে পাওয়া যায় না। এতে প্রতিয়মান হয় সুরজীত বসু (রাজু) সিজনক্রত কাগজ তৈরি করে ভূমি দখলের কাজে লিপ্ত আছেন।
ইতিমধ্যে উক্ত জমির একাংশের উপর দিয়ে মেট্টো রেলের কার্যক্রম শুরু হলে সরকারী জমি অধিগ্রহণের মূল্যও সরকারী ভাবে জমির মালিক আক্তার হোসেন ও  অন্যান্য মালিকপক্ষকেই পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারী ভূমি অধিগ্রহণের মূল্য সরকারী নথিতে সিএস/আরএস-এ যথাযথ মালিক নিশ্চিত হয়েই মূল্য পরিশোধ করা হয়। এদিকে সুরজিত বসু (রাজু) নিজের মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়ে শেখ মহিউদ্দিনকে ভাড়া করে। শেখ মহিউদ্দিন নিজেকে রাজনৈতিক নেতা পরিচয়ের পাশাপাশি শেখ পরিবারের আত্মীয়, কখনো শেখ হেলালের নিকটাত্মীয়, কখনো শেখ রেহানার ঘনিষ্টজন পরিচয়ে স্থানীয় থানা প্রশাসনে গিয়ে নিজের কর্তৃত্ব দেখাতো। যদিও তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলা টংগীপাড়া। যার ফলশ্রুতিতে থানায় কর্মরত কর্মকর্তাগণ জমির প্রকৃত মালিকদের পক্ষ্য না নিয়ে শেখ মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বন করতো। যদিও শেখ মহিউদ্দিন যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
একদিকে জমির প্রকৃত মালিকগন বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে সেখান থেকে কোনো লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না। আর সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে।
এখানে উল্লেখ্য, জুলাই-আগষ্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক ছাত্র হত্যার অভিযোগে শেখ মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরবর্তী বেশ কিছুদিন শেখ মহিউদ্দিন গা-ঢাকা দিয়ে পলাতক ছিলেন। সম্প্রতি আবারো থানা প্রশাসনের ছত্র-ছায়ায় পূর্বের মূর্তিতে দখল বাণিজ্যে সরব হয়েছেন। ১৭ বছরের আওয়ামী দু:স্বাশনের দগদগে ঘা জনগন ভুলতে না ভুলতে আবারো এসব আওয়ামী হায়েনাদের রাক্ষুসে থাবা যদি যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রতিহত না করেন, তবে জনগন আইন হাতে তুলে নিবে বৈকি! আর জনগন একবার ক্ষেপে গেলে কি ঘটতে পারে তাতো জুলাই-আগষ্টে সারা পৃথিবী প্রত্যক্ষ করেছে।
স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, কতিপয় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন যাবত এই জায়গা জবর দখলের পায়তারা করছে। আমরা এই জমির প্রকৃত মালিক মরহুম বদরুদ্দিন আহমেদ গংদের বলেই জানি। তাঁকে এবং তাঁর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশগণের নিকট অনেক বছর যাবত আমরা ভাড়া পরিশোধ করে আসছি। স্থানীয়রা আরো বলেন, কোটি কোটি টাকা মূল্যের এরকম একটি বাণিজ্যিক প্লট বছরের পর বছর অব্যবহৃত অবস্থায় পরে থাকতে পারে না। বর্তমান বিপ্লবী সরকার তথা প্রশাসনের উচিত গুরুত্বপূর্ণ এই জমিটির ঝামেলা মিটমাট করে প্রকৃত মালিক পক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া।

Related Articles

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুর: জ্বালানি খাতে শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ কৃত কোম্পানিতে ৫% শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে

আরও পড়ুন

জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ

আরও পড়ুন

গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের চলমান বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও মাছের পোনা উদ্ধারসহ আটক ২৬৫ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে

আরও পড়ুন

সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতির কোন কল্যাণ হবে নাঃ                                                                                                                       আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্বই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান আযাব- গজবেরই পথ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যা ৩টি: (১ম) মৌলিক সমস্যা- ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। (২য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার এবং (৩য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার। তিনি বলেন, মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান না হলে কোন সমস্যার’ই প্রকৃত সমাধান হবে না । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান হয়নি বিধায়; জাতীয় জীবনে দিন দিন সমস্যা বেড়েই চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও সমস্যাবলীর সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে- একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন শেখ হাসিনা আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীনে থেকেই একনাগারে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার গোলামে পরিণত করেছিল এবং পুরো জাতিকে তার গোলামে পরিণত করার আয়োজন করেছিল। আলকুরআনের পরিবর্তে কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে এবং তার দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এ বিপর্যয় মূলতঃ তার এবং তার দলের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে “সমাজ এবং রাষ্ট্রের মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং সমাধানের উপায়” বিষয়ে সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে মুক্ত হবে না, কারণ যারাই ক্ষমতায় আসবেন তারা ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান- আযাব-গজবের পথ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ত্যাগ ও অমান্য করে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান আলকুরআনের আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করা, যা কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ। এ পথেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, সকল মানুষের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। কল্যাণ ও মুক্তির পথেই ‘ইসলামী সমাজ’ এগিয়ে চলছে- একথার উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহবান জানান ৷ ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, আবু জাফর মুহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ আলী জিন্নাহ্, আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা,, সাইফুল ইসলাম মিঠু ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।  

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman