Somoy News BD

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ৩২০ জন সাংবাদিকের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। অনুদানপ্রাপ্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিক পরিবার রয়েছে ১৫টি। বৃহস্পতিবার (৪ঠা সেপ্টেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে ডিএফপির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কল্যাণ অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট কাজ করছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এই ট্রাস্ট থেকে সাংবাদিকদের মাঝে মোট ৫৪ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়েও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গত এক বছরে কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৩ হাজার ৪২৮ জন সাংবাদিককে ১০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবার এবং ১৯২ জন আহত সংবাদিককে সম্মাননা স্মারক, সনদসহ ৫৪ লক্ষ টাকার সম্মানি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৩০৫ জন সাংবাদিকের সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে ৫৫ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা।

সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি সহজতর করতে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি স্বতন্ত্র হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য শাহীন হাসনাত, মো. আলাউদ্দিন এবং সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের ছোটো ভাই চিররঞ্জন সরকার।

Related Articles

স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি বলেছেন স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে

আরও পড়ুন

বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল)

আরও পড়ুন

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড

আরও পড়ুন

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ বুধবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman