Somoy News BD

১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ৩২০ জন সাংবাদিকের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। অনুদানপ্রাপ্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিক পরিবার রয়েছে ১৫টি। বৃহস্পতিবার (৪ঠা সেপ্টেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে ডিএফপির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কল্যাণ অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট কাজ করছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এই ট্রাস্ট থেকে সাংবাদিকদের মাঝে মোট ৫৪ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়েও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গত এক বছরে কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৩ হাজার ৪২৮ জন সাংবাদিককে ১০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবার এবং ১৯২ জন আহত সংবাদিককে সম্মাননা স্মারক, সনদসহ ৫৪ লক্ষ টাকার সম্মানি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৩০৫ জন সাংবাদিকের সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে ৫৫ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা।

সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি সহজতর করতে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি স্বতন্ত্র হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য শাহীন হাসনাত, মো. আলাউদ্দিন এবং সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের ছোটো ভাই চিররঞ্জন সরকার।

Related Articles

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের

আরও পড়ুন

নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫ উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান

আরও পড়ুন

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্যে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman