Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ৩২০ জন সাংবাদিকের মাঝে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। অনুদানপ্রাপ্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিক পরিবার রয়েছে ১৫টি। বৃহস্পতিবার (৪ঠা সেপ্টেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে ডিএফপির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কল্যাণ অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট কাজ করছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এই ট্রাস্ট থেকে সাংবাদিকদের মাঝে মোট ৫৪ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়েও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গত এক বছরে কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৩ হাজার ৪২৮ জন সাংবাদিককে ১০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার কল্যাণ অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবার এবং ১৯২ জন আহত সংবাদিককে সম্মাননা স্মারক, সনদসহ ৫৪ লক্ষ টাকার সম্মানি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৩০৫ জন সাংবাদিকের সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে ৫৫ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা।

সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি সহজতর করতে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি স্বতন্ত্র হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য শাহীন হাসনাত, মো. আলাউদ্দিন এবং সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের ছোটো ভাই চিররঞ্জন সরকার।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman