Somoy News BD

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক ফারুক সভাপতি, মিতায়ন চাকমা সি. সহ-সভাপতি, আলমগীর সেক্রেটারি ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা’র ১১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুককে সভাপতি, মিতায়ন চাকমাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং মো. আলমগীর হোসেন ভূইয়াকে সদস্য সচিব, ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদকে কোষাধ্যক্ষ ও ব্যারিস্টার কাজী ইসতিয়াক হোসেন জিসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জেলার পাহাড়বাসীদের নিয়ে প্রথমবারেরমত গঠিত এ কমিটিতে বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন, উত্তরা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হযরত আলী, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র’র সম্পাদক অয়ন আহমেদ, দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক সৈয়দ ইবনে রহমত, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক, বাখের উদ্দিন, আমিনুল হক, ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক আয়েশা খাতুন রুমা, বৈসম্য বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা আবু সাদিক কায়েম, উজ্জল ময় ত্রিপুরা, সুকুমার সাহা, মোর্শেদ আলম, দিদারুল আলম, এড. আবু তাহের রনি, জাহাঙ্গীর আলম অপু, আহমেদ হোসেন, আইটি বিশেষজ্ঞ নাদিম মজিদ, ইব্রাহীম খলিল (অপি) ও নবী হোসেন বাপ্পা প্রমুখ।
এছাড়াও কমিটিতে সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার ও প্রকৌশলী, সরকারি বেসরকারি চকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

বুধবার (২ জুলাই, ২০২৫) পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা’র পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সংগঠনের আহ্বায়ক সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক-এর সভাপতিত্বে গত শুক্রবার (২৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকসু ভবনে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় পার্বত্য তিন জেলার প্রায় শতাধিক বিশিষ্টজন উপস্থিতি ছিলেন। সেসময় বক্তারা ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সে অনুযায়ী সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুককে সভাপতি, মিতায়ন চাকমাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মো. আলমগীর হোসেন ভূইয়াকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এছাড়াও গত ২৩ মে গঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নেতাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পাদায়নের সিদ্ধান্ত হয়। সাধারণ সভার সিন্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নব নির্বাচিত সভাপতি এ এইচ এম ফারুক বলেন- বৃহত্তর ঢাকায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সকল পাহাড়বাসীকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা’য় সদস্য হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত আছে।

Related Articles

চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতায় বস্ত্র ও পাট খাতের আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনা : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতা কাজে লাগানো

আরও পড়ুন

মৎস্য উৎপাদনে মান নিশ্চিত করে রপ্তানি বাড়াতে হবে —- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিশ্বে এখন খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় হয়ে দেখা

আরও পড়ুন

পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে- পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন বিনিয়োগের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman