Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাংবাদিক দের মিলনমেলা ও বনভোজন।

নিজস্ব প্রতিনিধি

পেশাগত ঝুঁকি, নিরাপত্তাহীনতা ও অবহেলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জোরদারের প্রত্যয়ে সাংবাদিকদের এক মিলনমেলায় রূপ নেয় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ ও বনভোজন–২০২৫। এটি ছিল শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়; বরং সাংবাদিক সমাজের সংহতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অধিকার রক্ষার এক দৃঢ় বার্তা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার পুবাইল এলাকায় অবস্থিত হিজল-তমাল রিসোর্টে সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে আগত প্রায় ৪২০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি পরিণত হয় সাংবাদিক সমাজের এক বৃহৎ সম্মিলনে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, *“সাংবাদিকতা আজ দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশাগুলোর একটি। পেশাগত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠিত শক্তির কোনো বিকল্প নেই।”*

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আজম খাঁন, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, মানবাধিকার সংগঠক এবং দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশকরা। তাঁদের উপস্থিতি আয়োজনকে কেবল উৎসবমুখরই নয়, বরং তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রতিবাদী মাত্রা প্রদান করে।

দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত ও আবৃত্তি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য ছিল পরিপূর্ণ আপ্যায়নের ব্যবস্থা—সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সুসংগঠিত খাবার ও বিশ্রামের আয়োজন।

আয়োজকরা জানান, কর্মব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সাংবাদিক জীবনের চাপ থেকে সাময়িক বিরতি এনে এমন মিলনমেলা সাংবাদিকদের মানসিক শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার অনুপ্রেরণাও সৃষ্টি করে।

দিনশেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন—সাংবাদিকদের সুরক্ষা, কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই ফাউন্ডেশন যেন আয়োজনের পাশাপাশি মাঠের বাস্তব লড়াইয়েও আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখে।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman