Somoy News BD

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংস্কৃতিক জাগরণে জেলা প্রশাসকদের বলিষ্ঠ ভূমিকার আহ্বান: জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
উন্নত সমাজ বিনির্মাণ ও মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বেগবান করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’-এর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিশেষ অধিবেশনে সরকারের নীতিনির্ধারকগণ এই নির্দেশনা প্রদান করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জনাব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
অধিবেশনে প্রধান অতিথির ভাষণে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, একটি ‘সংস্কৃতিমনস্ক মেধাবী জাতি’ গঠনই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ৫৬৪টি প্রত্নস্থল ও ২১টি জাদুঘরের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক সাংস্কৃতিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি শিল্পচর্চায় সম্পৃক্ত হতে পারে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ স্মরণ করে তিনি বলেন, একটি উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি বিশেষ করে বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রদান এবং জেলা পর্যায়ে দেশীয় ঐতিহ্যের পরিপন্থী অপসংস্কৃতি রোধে জেলা প্রশাসকদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম তাঁর বক্তব্যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেয়েও মানুষের চিন্তা-চেতনা ও আচার-ব্যবহারের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো একটি কঠিন বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ। গত ১৭ বছরে সাংস্কৃতিক খাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে একটি উচ্চতর মাত্রায় উন্নীত করা। তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটগুলোকে আরও কার্যকর করার জন্য জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ায় জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকারের জনকল্যাণমুখী উদ্যোগসমূহ তৃণমূল পর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন জেলা প্রশাসকগণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিস্ আফরোজা খানম (রিতা), প্রতিমন্ত্রী জনাব এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং উপদেষ্টা জনাব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারগণ সভায় অংশ নেন।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman