Somoy News BD

৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

সিঙ্গাপুরের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নৌপরিবহন উপদেষ্টার বৈঠক- সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি নেয়ার আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে শিপিং সেক্টরসহ অন্যান্য সেক্টরে আরও বেশি জনশক্তি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আজ বুধবার ( ১৬ জুলাই) সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে সিঙ্গাপুরের পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী এবং বাণিজ্য সম্পর্ক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী গ্রেস ফু’র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ আহবান জানান।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমী গুলো থেকে প্রতি বছরই দক্ষ ও মেধাবী মেরিনারগণ গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করছেন। সিঙ্গাপুরের শিপিং সেক্টরে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হলে তারা সিঙ্গাপুরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে একই সাথে বাংলাদেশ ও বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে। এছাড়াও বাংলাদেশ পোশাক শিল্পেও
অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে। বাংলাদেশের পোশাক বিশ্বমানের। ইউরোপ আমেরিকার সহ সারা বিশ্বে বাংলাদেশের পোশাকের বিশাল চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের পাট জাত পণ্যেরও বিশ্বজুড়ে সুখ্যাতি রয়েছে। সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশের তৈরি উন্নতমানের পোশাক ও পাট জাত বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী আমদানি করতে পারে।

সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য সম্পর্ক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বাংলাদেশকে
সিঙ্গাপুরের অকৃত্রিম বন্ধু উল্লেখ করে বলেন,
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ ও ব্যবসা বাণিজ্যে ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সিঙ্গাপুর সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। এছাড়াও বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়নেও সিঙ্গাপুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সিঙ্গাপুরকে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে জাহাজ শিল্প, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, পাটজাত পণ্য ও অন্যান্য সেক্টরে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে।
বৈদেশিক বিনিয়োগের সকল প্রক্রিয়া এখন উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এ সময় উপদেষ্টা বাংলাদেশে নির্মাণাধীন একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর মাতারবাড়িতে আন্তর্জাতিকমানের একটি ডকইয়ার্ড / শিপইয়ার্ড নির্মাণে সিঙ্গাপুর সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এছাড়াও বাংলাদেশী নাবিকদের জন্য সিঙ্গাপুর সরকার কর্তৃক ট্রানজিট বা ওয়ার্কিং ভিসা প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশী বন্দর ব্যবস্থাপনায় যে সকল জনবল নিয়োজিত রয়েছে তাদেরকে আধুনিক ও ও উন্নত মানের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সিঙ্গাপুর সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে আমাদের সকলকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে –উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

মোঃআশরাফুল আলমঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজয়ের এ মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মসর্গকারী এবং সকল শহীদদের প্রতি

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ,গ্রেফতার ৪

আল শাহরিয়ার বাবুল খানঃ ঢাকার আশুলিয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও পড়ুন

রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮তম বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও

আরও পড়ুন

জলবায়ু ঝুঁকি ও বিপদ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ ‘সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা রোডম্যাপ’ এর যাত্রা শুরু করেছে।

মোঃআশরাফুল আলমঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের জন্য জাতীয় প্রাথমিক সতর্কতা (EW4All) রোডম্যাপ এর যাত্রা শুরু করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman