Somoy News BD

৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রোববার রাষ্টীয় অতিথি ভবন যমুনায় স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের কাছে হস্তান্তর করে। প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা সংস্কার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণের প্রতি তার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা এই প্রতিবেদনটি জনসমক্ষে প্রকাশ করব, যাতে নাগরিক, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট সকলেই প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো দেখতে ও বুঝতে পারেন। আসলে, আমি মনে করি স্কুল পর্যায়েও এই সংস্কারগুলো নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত, যাতে ছোটবেলা থেকেই নাগরিক সচেতনতা গড়ে ওঠে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের আর দেরি করা উচিত নয়। এই সংস্কারগুলো যত দ্রুত সম্ভব কাগজ থেকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে হবে।”

অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন কয়েক মাসের পরামর্শ, গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কাজ শেষে এই প্রতিবেদন জমা দেয়।

“আমরা সুপারিশ করেছি যে কনসেনসাস কমিশন এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে,” বলেন অধ্যাপক আহমেদ।”প্রথম অংশে আমরা কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, আর পরবর্তী অংশে আমরা এমন একটি ধারণা দিয়েছি যা ‘হাজারো ধারণা বাস্তবায়নের পথ দেখাবে’—একটি কাঠামো যা বাস্তবসম্মত ও প্রসারযোগ্য পরিবর্তন নিশ্চিত করবে।”

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে আরও দক্ষ ও স্মার্ট করে তোলাই এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য। “আমরা সম্পদ ব্যবস্থাপনার ভূমিকা নিয়ে একটি সম্পূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তদারকির ভূমিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি,” যোগ করেন তিনি।

কমিশনের প্রতিবেদনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনসহ নগর স্থানীয় সরকারের মুখ্য চ্যালেঞ্জগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে।

“বিভাগীয় অদক্ষতা ও ব্যাপক ঘুষ একটি বড় সমস্যা,” বলেন অধ্যাপক আহমেদ। “বড় অবকাঠামো প্রকল্প থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সেবা—এসব ক্ষেত্রে দুর্নীতি একাধিক স্তরে প্রবাহিত হয়। প্রকল্প পর্যায়, সেবা পর্যায় এবং বিভাগীয় পর্যায়ে এই দুর্নীতি যদি না কমে, তাহলে কার্যকর শাসন একটি স্বপ্নই থেকে যাবে।”

এসময় স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ, অধ্যাপক ড. ফেরদৌস আরফিনা ওসমান, আবদুর রহমান, ড. মাহফুজ কবীর, মহসুদা খাতুন শেফালী, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, ইলিরা দেবন, অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, এ. কে. এম. তারিকুল আলম, হেলেনা পারভীন এবং মোজবাহ উদ্দিন খান।

Related Articles

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)

আরও পড়ুন

নোয়াপাড়া নদীবন্দরে লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজসমূহকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত টাস্কফোর্স আজ (০৫ মার্চ ২০২৬) একটি অভিযান ও মোবাইল

আরও পড়ুন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা আজ দুপুর ১২.০০ টায় অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে ইউজিসিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman