Somoy News BD

৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

“হরলিক্স ব্রেইন গেমস অলিম্পিয়াড: গ্র্যান্ড ফিনালে বিজয়ীরা পেল স্কলারশিপ”

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা, সমস্যা সমাধান এবং সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বিকাশে সহায়ক প্রতিযোগিতা ‘হরলিক্স ব্রেইন গেমস অলিম্পিয়াড’ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ৩ লাখ টাকার বৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রচলিত শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান এবং অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে।

৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা হরলিক্স ব্রেইন গেমস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেছে। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই ইভেন্টে সারা দেশ থেকে ২২,০০০ এর বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, যেখানে তাদের মানসিক দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কুইজ এবং ব্রেইন গেমসের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। অনলাইন প্রিলিমিনারি রাউন্ডের পর, আঞ্চলিক রাউন্ডগুলো চট্টগ্রাম, রংপুর, খুলনা, ঢাকা ও ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি অঞ্চল থেকে সেরা ১,০০০ শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, যাদের মধ্যে শীর্ষ ২০ জন জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। গ্র্যান্ড ফিনালেতে মোট ১০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়।

গ্র্যান্ড ফিনালেতে দিনব্যাপী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে উৎসবমুখর কার্যক্রম এবং তীব্র প্রতিযোগিতামূলক অন-স্পট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অনুপ্রেরণামুলক উদ্বোধনী পর্ব, কুইজ, ব্রেইন গেমস এবং জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা উপভোগ করে। পরীক্ষার পর, উপস্থিতরা একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা আয়মান সাদিকের কাছ থেকে বাস্তবিক পরামর্শ পান, পাশাপাশি একটি মনোমুগ্ধকর ম্যাজিক শোও উপভোগ করেন।

ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার-এর মার্কেটিং ডিরেক্টর (নিউট্রিশন) চৌধুরী হাসান মাজহার বলেন, “১৯৬৬ সাল থেকে, হরলিক্স প্রজন্মের পর প্রজন্মকে সুস্থ ও বুদ্ধিমানভাবে বেড়ে ওঠতে সহায়তা করছে। সকলের প্রিয় এই ব্র্যান্ডটি শুধুমাত্র মৌলিক পুষ্টি প্রদান করার প্রতিশ্রুতি ছাড়িয়ে গেছে। আমরা ব্রেইন গেমস অলিম্পিয়াড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের তরুণ মস্তিষ্কের মানসিক বিকাশের চর্চা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা তাদের জন্য কৌশলগতভাবে সঠিক পুষ্টি এবং এক শক্তিশালী পরিবেশের দ্বৈত প্রচেষ্টা বাস্তবায়ন করতে চাই। এমন একটি অসাধারণ উদ্যোগে  অংশ নিতে নিজেদের সন্তানদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আমি অভিভাবক এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

গ্র্যান্ড ফিনালেটি ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতিত্ব অর্জনের জন্য সামষ্টিক উন্নতি, আনন্দ এবং একাত্নবোধের একটি শক্তিশালী উদাহরণ। এই অনন্য প্ল্যাটফর্মটি শিশু মনকে দৈনন্দিন পড়াশোনার গন্ডির বাইরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জীবন সংক্রান্ত দক্ষতা অর্জন করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

হরলিক্স বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গৃহস্থালী পুষ্টি ব্র্যান্ড হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুস্থ্য মন ও শরীর গঠনে সক্ষম করার সুযোগ সৃষ্টি অব্যাহত রাখবে।

Related Articles

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman