Somoy News BD

১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশ ও বিদেশ ভ্রমণের সকল আয়োজন নিয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (ATF) ২০২৬। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB)-তে ১৭–১৯ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

এ উপলক্ষে সোমবার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক ও এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ সামীমুজ্জামান।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ মেলাটি অনুমোদন ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সার্বিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ৩টি হলে প্রায় ৩০০টি বুথে অংশগ্রহণ করছে। হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইন্স, সরকারি-বেসরকারি পর্যটন প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি দূতাবাস ও মিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পর্যটন পণ্য ও সেবার প্রদর্শন সহ আকর্ষণীয় অফার দর্শনার্থীদের কাছে উপস্থাপন করবে।

মেলার বিশেষ আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেজ’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেজ’ এবং ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেজ’। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে বিটুবি সেশন, সেমিনার, ডেস্টিনেশন প্রেজেন্টেশন, প্যানেল আলোচনা, প্রোডাক্ট প্রমোশন ও নেটওয়ার্কিং। বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও থাকবে প্রতিদিন সন্ধ্যায়।
মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, “এটিএফ ২০২৬ দেশি-বিদেশি পর্যটন অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক সংযোগ, পর্যটন পণ্য প্রচার এবং বাংলাদেশে পর্যটন বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

প্রধান অতিথি মোঃ সামীমুজ্জামান বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে এ ধরনের আন্তর্জাতিক মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটিএফ বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে সহায়ক হবে। সামগ্রিকভাবে এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ মেলাটি অনুমোদন (Endorsed) প্রদান করেছে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এই মেলায় সার্বিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিসহ মেলার বিভিন্ন পার্টনার ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রি এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট, জনাব খবির – দ্দিন আহমেদ, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্রাভেল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (ATJFB) সভাপতি তানজিম আনোয়ারসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার মো. জিয়াউল হক হাওলাদার।

এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, প্লাটিনাম পার্টনার- ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, কো-স্পন্সর- ছুটি গ্রুপ, হসপিটালিটি পার্টনার- ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান, ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার- ভাইয়া হোটেলস এবং অ্যাগ্রো ট্যুরিজম পার্টনার- সুখের খামার।

এছাড়া কনভয় সার্ভিস ট্রান্সপোর্ট পার্টনার, এম৩৬০ আইসিটি পার্টনার, দ্য ট্রাভেল বাউন্ড অফিসিয়াল পাবলিকেশন, ঢাকা ডিনার ক্রুজ ক্রুজ পার্টনার এবং এনআরবি ভিস্তারা লিমিটেড অফিসিয়াল ট্রাভেল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিভিন্ন পার্টনার ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তুতি ও নানাবিধ ডিসকাউন্ট অফার আসন্ন শীত মৌসুমের আগেই দর্শনার্থীদের কাছে এই মেলার মাধ্যমে উপস্থাপনের বিষয়ে উল্লেখ করেন।

মেলার চেয়ারম্যান, মহিউদ্দিন হেলাল আরও বলেন, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার আয়োজন ও উপস্থাপনের ক্ষেত্রে- দেশের অঞ্চলভিত্তিক পর্যটন- হাওড় পর্যটন, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন, নৌ পর্যটন, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম সহ কমিউনিটি ট্যুরিজম ও পরিবেশ পর্যটনকে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে বিদেশি সংস্থা অংশগ্রহণ করছে তাদের নিজস্ব পর্যটন প্রচার ও প্রচারনায়।

এবারের মেলায়, শিশু, শিক্ষার্থী ও পর্যটন শিল্পে ব্যাবসায়ি ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ ও চাহিদা বিবেচনায় রেখে মেলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছ। পর্যটন শিল্পে নারী উদ্দোক্তা ও কমিউনিটি টুরিজমের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

একইসাথে পর্যটন শিল্পে প্রচার মাধ্যমের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক, মহিউদ্দিন হেলাল, সকল ধরনের প্রচার মাধ্যমের প্রতিনিধেদের এই মেলায় আমন্ত্রণ জানান।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ ঘটিকায় মাননীয় মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB)-তে প্রধান অতিথী হিসাবে মেলার উদ্ভোধন করার সম্মতি প্রদান করেছেন। গেস্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত থাকবে একই মন্ত্রণালয়ের সচিব। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, সিইও, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত বৃন্দ।
মাননীয় মন্ত্রী, পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় , আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ০৪ ঘটিকায় মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত থাকার সম্মতি প্রদান করেছেন।
মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। প্রবেশ কুপনের মাধ্যমে র‌্যাফেল ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। বিজয়ীদের সৌজন্য এয়ার টিকিটসহ থাকছে দেশ ও বিদেশ বেড়নোর বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও গিফট ভাউচার। আজকের সংবাদ স্মমেলনের মাধ্যমে সকল ভ্রমণ প্রেমীদের মেলায় আমন্ত্রণ জনানো হয়েছে।

Related Articles

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ

আরও পড়ুন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নাম ভাঙিয়ে গুম ফেরত সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ, কাটা হলো মায়ের লাগানো নারকেলগাছ

বিশেষ প্রতিনিধি, মেহেরপুর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৩ দিন গুম নয় মাস কারাগারে থাকার ঘটনায় আলোচিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের মেহেরপুর শহরের পৈতৃক বসতভিটা

আরও পড়ুন

লোহাগড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রে’ফ’তা’র

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া থানার মামলা নং- ০১(১০)২৬, ধারা: ১১(খ)/১১(গ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি সুমন রহমান @ রকি

আরও পড়ুন

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman