Somoy News BD

২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

২২ কেজি গাঁজা ও কাভার্ডভ্যানসহ পেশাদার মাদক কারবারি চক্রের দুই সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে ২২ কেজি গাঁজা ও কাভার্ডভ্যানসহ পেশাদার মাদক কারবারি চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গ্রেফতারকৃতরা হলো-মো. মনিরুল ইসলাম মনির (৩২) ও মো. মোশারফ (৩৫)।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রি.) রাত ১০:৩৫ ঘটিকায় ঢাকার কদমতলী থানাধীন রায়েরবাগস্থ ঢাকা- সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে কাঁচা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে গাঁজাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের এন্টি ইললিগ্যাল আর্মস অ্যান্ড ক্যানাইন টিম ঢাকা মহানগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কদমতলী থানাধীন মাতুয়াইল এবং রায়েরবাগ বাসস্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় কতিপয় মাদক কারবারি অবৈধ মাদকদ্রব্য হস্তান্তর করবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০:১৫ ঘটিকায় টিমটি কদমতলী থানাধীন মাতুয়াইল এবং রায়েরবাগ বাসস্টেশনের মাঝামাঝি কৌশলে অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে রাত ১০:৩৫ ঘটিকায় কদমতলী থানাধীন রায়েরবাগস্থ ঢাকা- সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে নিউ মক্কা ওয়ার্কশপ এর সামনে কাঁচা রাস্তার উপর সন্দেহভাজন একটি হলুদ-নীল রঙের টাটা  কাভার্ডভ্যান পার্ক করলে কাভার্ডভ্যানটি শনাক্ত করা হয় এবং  কাভার্ডভ্যানের ড্রাইভিং সিট হতে মো. মনিরুল ও পাশের সিট হতে মোশারফকে  আটক করা হয়। আটক মনিরুল ও মোশারফকে  জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায় কাভার্ডভ্যানটির ভিতরে গাঁজা রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের দেখানো মতে কাভার্ডভ্যানটির ভিতর হতে ছয়টি প্যাকেটে রক্ষিত সর্বমোট ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনার গ্রেফতারকৃত মনিরুল ও মোশারফসহ পলাতক অজ্ঞাতনামা ০৪/০৫ জনের  বিরুদ্ধে ডিএমপির কদমতলী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মনিরুল ও মোশারফ পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তির নিকট গাঁজা বিক্রির জন্য ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল বলে স্বীকার করেছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman