Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী আজ (মঙ্গলবার) ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক একাডেমি চত্ত্বরে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তখন তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মকে যদি সত্যিকার অর্থেই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তৈরি করতে হয় তাহলে শিশুদেরকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই জেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশু একাডেমির পরিসর বিস্তৃত হয়েছে; যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে শিশু একাডেমি শিশুদের বিকাশের জন্য যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পায়নি। তিনি আরও বলেন, শিশুদের অধিকার আদায়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সজাগ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিটি জেলায় এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশুদের বিকাশের জন্য, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের মননশীলতা ও চিন্তার পরিধির ব্যাপ্তিলাভ করানোর জন্য এবং শিশুদের আগামীর নেতৃত্ব প্রদানে পারদর্শী করে গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ আমাদের সঠিকভাবে চলার জন্য উজ্জীবিত করবে এবং আগামীর বৈশাখ অর্থাৎ ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ আরও সুন্দর হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বৈশাখের প্রথম দিনে পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করার মুহূর্তটি আমাদের জীবনে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির বীজ বপনে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। তিনি শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সহধর্মিনী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একাডেমি চত্ত্বরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Related Articles

জাতীয় চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি আনা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাদা মহিষ (অ্যালবিনো বাফেলো) দেখতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের পরদিন

আরও পড়ুন

জনসাধারণের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় কাজ করছে বিজিবির ২৩টি টিম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক

আরও পড়ুন

ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার যেকোনো ধরনের অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী নতুন আইন আনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিচারকার্য সম্পন্ন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman