Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

গণতন্ত্রে নির্বাচনের আর দরকার নেই! এবার ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকলে ইসলামী সমাজে শামিল হোন-আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর:

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর 
বলেছেন গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা’ই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ।গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যারাই  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছেন তারা সকলেই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করেছেন।তিনি বলেন, মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব জগতের একমাত্র রব্ব হলেন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্।কিন্তু গণতন্ত্রসহ সকল প্রকার মানব রচিত ব্যবস্থার  মাধ্যমে মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায়  সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে রব্ব সার্বভৌমত্বের মালিক গ্রহণ করা হয়, যা মূলতঃ মহান  রব্বের সাথে কুফর এবং শির্ক। কুফর এবং শিরকের পরিণতি মানুষের দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং তাদের আখিরাতের জীবনে চিরস্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত জাহান্নাম। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব এবং আলকুরআন বিরোধী মানব রচিত সংবিধানের এবং এরই ধারক-বাহক নেতার আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত আছে, যার কারণে মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নাই, তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য আর বৈষম্য। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হচ্ছে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি এবং দুর্নীতির কারণে সন্ত্রাস, উগ্রতা জঙ্গিতৎপরতাসহ বিভিন্ন ইস্যু কেন্দ্রিক মানবতা বিরোধী অপতৎপরতা মানুষের জীবনকে গ্রাস করেছে। ৩০ আগস্ট, ২০২৫ শনিবার, রাজধানীর উত্তরা আজমপুর বিডিআর বাজার সংলগ্নে ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর উত্তর এর দায়িত্বশীল, মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন সমাবেশে” সংগঠনের

আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও জঙ্গিতৎপরতাসহ সকল মানবতা বিরোধী অপরাধ ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে গণতন্ত্র এবং আলকুরআন বিরোধী সকল প্রকার সংবিধানের মূলোৎপাটন করে সমাজ ও রাষ্ট্রে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই । তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, গণআন্দোলন কিংবা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদি কোনটাই ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক- আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। এসব পদ্ধতির যে কোন পদ্ধতি গ্রহণ করলে আল্লাহর সাথে কুফর এবং শির্ক করা হয়, যার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, আশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি। গণতন্ত্রের অধীনে জোট, ভোট ও নির্বাচন এবং এসবকে সমর্থন করলে ঈমান ও আমল সবই বিনষ্ট হয়ে যায় একথার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের নির্বাচনের মাধ্যমে কখনও ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হবে না গণন্ত্রের নির্বাচন আর দরকার নেই। গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের নির্বাচন ত্যাগ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার সহিহ আন্দোলন ‘ইসলামী সমাজ’ এ শামিল হওয়ার জন্য সকলকে তিনি আহ্বান জানান । সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ ও শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়ে চূড়ান্ত সফলতা লাভ করতে হলে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান পরিত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবকি দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তিনি বলেন, সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে’ই ‘ইসলামী সমাজ’ ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি গণতন্ত্রসহ ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সকল ব্যবস্থা ত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান । ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-৩ এর দায়িত্বশীল, মোঃ সেলিম মোল্লা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বশীল সোলায়মান কবীর, খুলনা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, রংপুর বিভাগের দায়িত্বশীল সাইফুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর এর সহ:দায়িত্বশীল মোস্তফা জামিল সাদ ও জাফর সালেহ প্রমুখ ৷

Related Articles

ট্রাব এওয়ার্ড এবং গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, গুণীজনদের সম্মানিত করলে শুধু তাদের ব্যক্তিগত সম্মান বৃদ্ধি পায় না,

আরও পড়ুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এবং চিফ হুইপ বরাবর ইসলামী সমাজের আমীর সাহেবের চিঠি প্রদান

মঞ্জুর: জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে ৫ মে ২০২৬ইং, মঙ্গলবার, সকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বরাবর সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের লিখিত চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জায়গায় (১) আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি হয়ে আছে (২) আল্লাহর আইন-বিধানের পরিবর্তে মানুষের মনগড়াঁ আইন-বিধান পালনের মাধ্যমে মানুষেরই দাসত্ব করছে এবং (৩) আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর শর্তহীন আনুগত্যের পরিবর্তে মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের ধারক-বাহক নেতাদের আনুগত্য- অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। আর এসবই কুফর এবং শিরক- ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ । তিনি বলেন, কুফর এবং শিরকের কারণেই জাতীয় জীবনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। গণতন্ত্রের পথে চলতে থাকলে সামনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিবে এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে নিশ্চিত চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জাহান্নাম, আর এটাই মহাক্ষতি। সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব মূলোৎপাটন করে আল্লাহরই সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ শাসন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সমস্যারই সমাধান হবে না। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা, মুহাম্মাদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি আরও বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা ইসলামের পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের ভিত্তিতে মানুষেরই রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের মাধ্যমে গঠিত এবং পরিচালিত হওয়ার কারণেই বিভিন্ন সময়ে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতীয় জীবনের সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হয়নি; বরং সমস্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে জাতীয় সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হচ্ছে না, হবেও না। ইসলামী সমাজের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ শাসন-কর্তৃত্বের ভিত্তিতে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর অনুসরণ ও অনুকরণে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যে ইসলামের আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত এবং পরিচালিত হলেই জাতীয় জীবনের সকল সমস্যার সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ । নিজের ও সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আমাদের সকলেরই উচিত গণতন্ত্রসহ সকল মানব রচিত ব্যবস্থা ও এসবের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রপন্থা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া । ইসলামী সমাজ আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর দাওয়াতের মাধ্যমে সমাজ গঠন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। নিজের ও জাতির সার্বিক কল্যাণে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলনে শামিল হওয়ার আন্তরিক আহবান জানান এবং চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট ৩টি বিশেষ টিমের তালিকা প্রকাশ করেন । সমাবেশ শেষে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১ম টিম সোলায়মান কবীরের নেতৃত্বে বঙ্গভবন, ২য় টিম মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ৩য় টিম মুহাম্মাদ ইয়াছিনের নেতৃত্বে সংসদ সচিবালয়ে গিয়ে চিঠি প্রদান করেন।  

আরও পড়ুন

কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের সরাসরি সংযোগ থাকায় কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে

আরও পড়ুন

শিল্প পুনরুজ্জীবন, বাজার স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত মজুদ বাড়াবে সরকার : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের শিল্পখাতকে পুনরুজ্জীবিত করা, বাজারকে স্থিতিশীল রাখা এবং জরুরি পণ্যের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman